তথ্যপ্রযুক্তি জগতে ২০১১ সালটা যে টেবলেট কম্পিউটারের জন্য একটা মাইলফলক হয়ে থাকবে – তা আগেই ধারনা করা হয়েছিল। ২৫ মার্চে বিশ্বব্যপি আইপ্যাড-২ এর যাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে এই নবযাত্রা। এপ্রিলের ১৯ তারিখেই ব্লাকবেরি প্লে-বুক বাজারজাত শুরু হবে। এখনই অর্ডার নেওয়া শুরু হয়ে গেছে অনলাইনে।

222797-playbook-1_original

প্লে-বুকের সাধারন কয়েকটি ফিচারঃ

১. আধা ইঞ্চির চেয়ে পাতলা এই প্লে-বুক রিম টেবলেট ৭ ইঞ্চি ডিসপ্লে।

২. স্ক্রিন রেজুলেশন ১০২৪*৬০০

৩. ১ গিগাহার্জের ARM Cortex A9 ডুয়াল কোর প্রসেসর রয়েছে।

৪. এক গিগাবাইট RAM

৫. দুইটি ক্যামেরা, সামনের ক্যামেরাটি ৩ মেগা পিক্সেল আর পেছনেরটি ৫ মেগা পিক্সেল।

৬. থ্রিজি+ওয়াইফাই এবং ফোরজি+ওয়াইফাই ভার্শনও আছে।

৭. দামের ক্ষেত্রে অবশ্য একেবারে কম বলা যায় না। ১৬, ৩২ ও ৬৪ গিগা যথাক্রমে ৫০০, ৬০০ ও ৭০০ ডলার।

ভিডিও রিভিউ


প্লেবুক ও আইপ্যাড২

মান ও দামের ক্ষেত্রে প্লে-বুক কতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করেত পারবে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি। প্রথমতঃ ৯.৭ ইঞ্চি আইপ্যাড২ এর দামের তুলনায় ৭ ইঞ্চি প্লে-বুকের দাম বেশি-ই বলা যায়। আর বাজারে এখন স্যামস্যাং গ্যালাক্সি ট্যাবের অবস্থানও ফেলার মতো না। তাছাড়া এইচপির টাচপ্যাডগুলোর হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন এখনও আইপ্যাড-২ এর চেয়ে বেশ ভাল পর্যায়ে আছে।

টাচ জগতের উপরে আমি বেশ কিছু দিন ধরেই নিয়মিত লিখেছি। ২৭ ডিসেম্বরে ২০১০ এ ওয়েব ও মোবাইলীয় ভবিষ্যতবানী ২০১১ পোষ্টে বলেছিলাম, ২০১১ সালে হয়তো অনেক প্রতিষ্ঠানে বাজারে আইপড বা আইপড সদৃশ পন্যের ব্যবহার ব্যপক ভাবে বৃদ্ধি পাবে। মোবাইলের সুবিধা সমৃদ্ধ আইপ্যাড অনেক সময় ল্যাপটপের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও আইপ্যাডের ব্যাবহার বৃদ্ধি পেতে পারে। বিষয়টার বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে।

comments

9 কমেন্টস

  1. আল্লাহ তুমি আমাকে কিনার ও ব্যবহার করার তোওফিক দান কর;-)

  2. আইপ্যাড ২ এর চাইতে অনেক ভাল ট্যাবলেট বের হলেও প্রতিযোগীতায় আসা কঠিন হবে। তবে কোন একটি ব্র্যান্ডের অন্ধভক্ত হওয়াটা আমার পছন্দ না। আইফোন না কিনে আমি HTC এর একটা এন্ড্রয়েড ফোন কিনেছি। দাম আইফোন এর চাইতে ১০,০০০ টাকা কম, কিন্তু মানের দিক দিয়ে কোন অংশে কম না।

    • যারা এন্ড্রয়েডে চালিত ফোন ব্যবহার করেছে তারা অনেকেই এপলের প্যাড ব্যবহার নাও করতে পারে, এন্ড্রয়েডে চলা প্যাডের ভক্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমান সবগুলো প্যাডেরই হার্ডওয়্যার কনফিগারেশনের তুলনায় দামটা একটু বেশি-ই। একই মানের নেটবুকগুলোর দাম অনেক কম। এটা ভাবলে চলবে না যে, নতুন পণ্য বলেই বেশি দামে বিক্রি করা যাবে। নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান প্যাড বানালে সেটা আমাদের ক্রেতাদের জন্য সুবিধাই নিয়ে আসবে। ২০১২ সাল নাগাদ টাচের জন্য উইনডোজও নতুনবাবে ওএস নিয়ে আসবে বলে শোনা যা যাচ্ছে, তখন টাচ জগতে ভিন্নধারাও প্রবাহিত হতে পারে। যদিও এত দিন এপল আইপ্যাড বিশাল বাজার বানিয়ে ফেলবে।

  3. @লাকি এফএমঃ HTC Desire
    @মাহবুব টিউটোঃ মোবাইল ডিভাইসের জন্য উইন্ডোজের ওএস তেমন জনপ্রিয় হবে বলে মনে হয় না। উইন্ডোজ ফোন ৭ ফ্লপ খাইছে। আর নেটবুকের চাইতে ট্যাবলেট এর দাম বেশি হওয়ার কারন, এটি আকারে অনেকটা মোবাইল ফোনের মতই। ট্যাবলেটের দাম এক সময় মোবাইল ফোনের মতই হাতের নাগালে এসে যাবে। তবে খুব তাড়াতাড়ি না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.