ঝিনুকেও রয়েছে নানা গুণ

ছোটবেলা থেকেই আমরা জানি ঝিনুক হতে মুক্তা পাওয়া যায়। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোতে ঝিনুক বেশ শখ করে খাওয়া হয়। এ কথাটা আপনার জানা আছে কি? আমাদের দেশেও বড় বড় রেস্টুরেন্টগুলোতে অনেকে শখ করে ঝিনুক অর্ডার করে বসেন। আজ আপনাদের ঝিনুক সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয়া হলঃ

ঝিনুক তাদের লিঙ্গ পরিবর্তন করতে পারেঃ
ঝিনুকদের এমনভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে যে তারা একইসাথে স্পার্ম ও ডিম উৎপন্ন করতে পারে। একটি ঝিনুক একবারই স্পার্ম কিংবা ডিম উৎপন্ন করতে পারে কিন্তু তারা তাদের লিঙ্গ যে কোন সময় পরিবর্তন করতে পারে।

ঝিনুকরা প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারেঃ
একটি সামুদ্রিক ঝিনুক প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। শীতের শুরুতেই তারা আবহাওয়ার সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া শুরু করে এবং এই সময় তাদের বাসস্থান হিসেবে পানির তাপমাত্রা হতে হয় ২০-৩০ ডিগ্রী।

ঝিনুক
ঝিনুক

ঝিনুকদের স্বাদ ওয়াইনের সাথে তুলনীয়ঃ
ঝিনুকের স্বাদ হতে পারে উজ্জ্বল, মোহনীয়, মাখনের মত মোলায়েম কিংবা মিষ্টি। নানা জাতের ঝিনুকের স্বাদ নানা রকম হয়ে থাকে। পশ্চিমা দেশগুলোতে ঝিনুকের স্বাদকে কেউ কেউ ওয়াইনের স্বাদের সাথেও তুলনা করে থাকেন।

ভিটামিন ও পুষ্টির আধার হচ্ছে ঝিনুকঃ
ঝিনুকের মাঝে একইসাথে নানা ধরণের খাদ্য উপাদান পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে মান ও পুষ্টির ক্ষেত্রে ঝিনুককে অনেকেই আদর্শ খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, আমিষ, সেলেনিয়াম, ভিটামিন এ, লৌহ, চর্বি (যেটি জলপাই তেলে পাওয়া যায়) ইত্যাদি নানা খাবারের গুণাবলি সমৃদ্ধে ভরপুর হচ্ছে ঝিনুক।

সূত্রঃ zmescience.com

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.