রাষ্ট্রীয় বিমান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন অব চায়না (এভিআইসি) এজি৬০০ নামের বিমানটি তৈরি করেছে।  চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়াতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, বিমানটি দাবানল নেভানো ও সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা চালাতে সক্ষম। বিমানটি মাত্র ২০ সেকেন্ডে ১২ টন পানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং উড্ডয়নের সময় সর্বোচ্চ ৫৩ দশমিক পাঁচ টন পর্যন্ত ভর বহন করতে পারবে। এটি আকারে একটি বোয়িং ৭৩৭ বিমানের কাছাকাছি।সমুদ্র থেকে ওঠা-নামা করার জন্য নির্মিত অন্যান্য বিমানের চেয়ে এটি অনেক বড় বলে জানিয়েছেন এভিআইসির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার গেং রুগুয়াং। তবে এর উইংসপ্যান এইচ-৪ হারকিউলিস বিমানের চেয়ে তুলনামূলক ছোট।
গতকাল রোববার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিনের এ বিমান নৌ-সম্পদ বিকশিত ও কাজে লাগাতে খুবই উপকারি হবে এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষেণ, সম্পদ চিহ্নিতকরণ ও পরিবহন কাজে এটি ব্যবহার করা যাবে।

দীর্ঘ সাত বছর টানা কাজ করে বিশ্বের বৃহত্তম উভচর বিমান তৈরি করেছে চিন। স্থানীয় সময় গত শনিবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বন্দরনগরী জুহাইতে  বিমানটি উদ্বোধন করা হয়।বিদেশী বিমান সংস্থার ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ বিমান তৈরি করেছে দেশটি।

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.