সাগরে এমন প্রাণী সত্যই নেই

এসব প্রাণীদের সম্পর্কে বিশ্বাস করবার কোন কারণ নেই। তারা কোনকালে ছিলও না, আসবেও না। কিন্তু তাও এদের গল্প শুনতে ভালো লাগে। কারণ, আমরা গল্প ভালোবাসি। অস্তিত্ব থাকুক কিংবা নাই থাকুক, এদের সম্পর্কে জানলে নিজেদের কাছেই প্রশ্ন করি। সত্যিই? এরা আসলেও ছিল?
এদের নিয়েই সিরিজ আকারে আপনাদের জন্য আয়োজন। আজকে লেখা হল পোল্যান্ডের পৌরাণিক জীব সাগরের বিশপ বা সী-বিশপকে নিয়েঃ

Sea Bishop(সাগরের বিশপ)

পোল্যান্ডের একটি রুপকথায় সী বিশপকে বলা হয়েছে বিশপ মৎস্য। ১৫৩১ সালে পোল্যান্ডের একটি সাগরতীরে একে ধরা হয়। জীবটি কোন কিছুই খেতে চাইছিল না বিধায় কিছুদিন পর এটি মারা যায়।

অন্য একটি রুপকথায় বলা হয়েছে, ১৩ শতাব্দীতে এরকম একটি প্রাণী ধরা পড়েছিল জেলেদের জালে। যখন রজত কাছে এটিকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন এটি মুক্তি পাবার জন্য প্রার্থণা করে জেলেদের কাছে। এটিকে মুক্ত করে দেয়া হয়। সাগরে ফিরে যাবার আগে এটি ক্রস সাইন তৈরি করে দেয়া যায়।

সাগর বিশপ
কল্পনার তুলিতে সাগর বিশপ

বিজ্ঞানীরা ধারনা করেন যে সাগর বিশপ নামের এই পৌরাণিক জীব তৈরি হয়েছে একটি সত্যিকারের সাগরের প্রাণী, জায়ান্ট স্কুইডের ধারনা নিয়ে। ১৮৬১ সালের ক্যানারি দ্বীপে জায়ান্ট স্কুইড প্রথম দেখা যায়। এটির বর্ণনা দেয়া হয় এভাবে যে এটির লেজ অনেক লম্বা ও এর অনেক বাহু বা টেনট্যাকল রয়েছে। সবচাইতে বড় মিলটি হচ্ছে, জায়ান্ট স্কুইডের মাথা হচ্ছে তেকোণা যা সাগর বিশপের মাথার টুপির মত।

সূত্রঃ Toptenz.net

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.