মুঠোফোন বিজ্ঞানের অসাধারণ এক আবিষ্কারের নাম। আগে মুঠোফোন  শুধু  দূর-দূরান্তে  কথা বলার  জন্য  হলেও  এখন তা শুধু  কথা বলার  মধ্যেই  সীমাবদ্ধ  নয়। বর্তমানে  এই মুঠোফোন স্মার্ট ফোনে রূপ নিয়েছে।যার দ্বারা পুরো বিশ্বকে জানা যায়। কিন্তু এই স্মার্ট ফোনের অনেক সুবিধা থাকলেও রয়েছে কিছু অসুবিধা। তার মধ্যে অন্যতম হলো ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখা ও ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়া।কিভাবে বেশিদিন ব্যাটারী ঠিক রাখা যায়, চলুন জেনে নেই

১) অনেক  সময় ১০%  চার্জ  নেমে  গেলেও আমরা  স্মার্ট ফোনটি  ব্যবহার  করতে  থাকি কিন্তু  তা  ঠিক  নয়। কারণ যত  কম  চার্জে ফোন ব্যবহার করা  হবে  তত বেশি ব্যাটারির উপর চাপ পড়বে।তাই ব্যাটারির ক্ষমতা ১৫% এর নিচে নেমে গেলেই চার্জ দেওয়া উচিৎ।

২) বর্তমানে ফোনে চার্জ দেওয়ার জন্য পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার করা হয়।  রাস্তাঘাটে  পাওয়ার  ব্যাংক এর  প্রয়োজন  পরে ঠিকই  কিন্তু পাওয়ার  ব্যাংক  দিয়ে  বেশি  চার্জ  দিলেও ব্যাটারি  ক্ষতিগ্রস্ত  হয়। তাই  নরমাল  ভাবেই  চার্জ  দেওয়াই ভালো।

৩) কোন ভাবেই চার্জ দেওয়া অবস্থায় স্মার্ট ফোন ব্যবহার করা যাবে না। এতে করে ব্যাটারির উপর মারাত্মক চাপ পড়ে।

৪) ওভারচার্জিং ব্যাটারির জন্য ভালো নয়।অনেক সময় আমরা ফোন চার্জ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।দেখা যায় ব্যাটারি নির্দিষ্ট পরিমাণ চার্জ হয়া সত্যেও ফোন চার্জিং অবস্থায় থাকে।এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।

৫) চার্জ দেয়া অবস্থায় ফোন বন্ধ রাখলে বা এয়ারপ্লেন মুড এ চার্জ দিলে ব্যাটারির উপর কম চাপ পড়ে এবং খুব দ্রুত ফোন চার্জ হয়।

৬) ব্যবহার শেষে সকল আপ্লিকেশন বন্ধ রাখা ভালো।অনেক সময় বিভিন্ন আপ্লিকেশন মিনিমাইজ করে রাখলে ব্যাকগ্রাউন্ড এ তা সচল থাকে।তাই ব্যাবহার এর পর ফোর্স স্টপ(force stop) করে দিতে হবে।

৭) ব্যাটারি যেনো অতিরিক্ত গরম না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।স্মার্ট ফোনের জন্য স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তাই এই তাপমাত্রায় রাখাই ভালো।অতিরিক্ত গরম হলে ফোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় না আসা পর্যন্ত ব্যবহার না করাই ভালো।

৮) খুব বেশি দরকার না হলে ভাইব্রেশন মুড না রাখাই ভালো।

৯) পুশ নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষন থাকে। ই-মেইল,ফেসবুক, টুইটার নির্দিষ্ট সময় পর পর সার্ভার থেকে নতুন তথ্য সংগ্রহ করে এবং জানিয়ে দেয়,যার ফলে আপ্লিকেশন গুলো সচল থাকে। তাই এই সব আপ্লিকেশন গুলোর নোটিফিকেশন অফ রাখা ভালো।

১০) অযথা ইন্টারনেট, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ অন রাখা যাবে না।

১১) ফোনের ব্রাইটনেস সবসময় কম রাখাই ভালো। উপরোক্ত কৌশল গুলো অবলম্বন করলে ব্যাটারির চার্জ দ্রুত হবে  এবং স্মাটফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হবে।

 

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.