বাড়িতে গেলেই বোনদের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়। আমাকে দেখলেই লাফা লাফি ঝাপা ঝাপি শুরু হয়- কারন ওরা জানে আমার সামনে শত অপরাধ করলেও আমি ওদের পক্ষেই আছি। কখনো বা পাঁচ বছরের ভাগনিকে দোকানে নিয়ে গিয়ে বললাম কোনটা খাবে যে কোন একটা পছন্দ করো। কিন্তু একবার এইটা আরেকবার আরেকটা পছন্দ করে- সে নিজেই বুঝতে পারে না কোনটার চেয়ে কোনটা ভাল। অথবা কয়েকটাই এক সাথে পছন্দ হয়েছে। আমি বেপারটা লক্ষ করি এবং মজা পাই।কাজের ক্ষেত্রে কি কি জিনিস প্রকাশ করবেন?

এরকম বেপার যে শুধু বাচ্চাদের বেলায় হয় তা কিন্তু নয়। গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের সময় এ বেপারটি লক্ষ করতাম এবং অনেক বেশি-ই বিরক্ত হতাম তখন এবং এর একটি সমাধানের চেষ্টা খোজতাম।

পছন্দ করানোর পদ্ধতি:

ধরা যাক আপনি একজন লগো ডিজাইনার ক্লাইন্টের আইডিয়ার বেপারে কিভাবে জিজ্ঞাস করবেন? যদি প্রশ্ন করেন আপনার কোন আইডিয়া আছে কিনা ? বেপারটা অন্ধ ব্যাক্তিকে রঙ পছন্দ করার জন্য বলার মতো হতে পারে – যদি সে এ বেপারগুলোতে এক্সপার্ট না হয়।

এ পদ্ধতি বাদ দিয়ে আপনার পছন্দের দশ বারোটা লগো তার সামনে হাজির করলে সে এর মধ্য থেকে একটা পছন্দও করতে পারে বা কিছু পরিবর্তন পরিবর্ধনের জন্য আপনাকে সাজেশন দিতে পারে। তা হলে তো ঝামেলা শেষ।

এমনও হতে পারে আপনার পছন্দের কোনটা-ই তার মনমতো হলো না। এবার তাকে ওয়েবের একটা কালেকশন দেখতে বলতেও পারেন। যার মাধ্যমে সে তার ধারনাগুলোকে শুধরে নিতে পারে (বেশিভাগ সময়ই ক্লাইন্টকে কিছু বেপারে শিখাতে হয়।)

একটা কথা-আপনি কি জানেন লগো ডিজাইনের পূর্বে ক্লাইন্টকে কি কি প্রশ্ন করবেন? না জানলে জেনে নিন।

কি কি প্রকাশ করবেন?

আপনি অনেক কিছু জানেন আর তাই আপনার কাছে কাজটি এসেছে। এখন কথা হলো আপনি আপনার দক্ষতার কত অংশ একজন লোকের সামনে জাহির করবেন? এ বেপারটা নির্ভর করে যার কাছে প্রকাশ করবেন তার ধারণ ক্ষমতার উপরে।

কিছু লোক আছে যারা নিজের অনেক অনেক মেধা আর চিন্তার কথা অন্যের কাছে প্রকাশ করতে ভালবাসে। আর কোন একজনের কাজের বেপারে আপনার জটিল কুটিল চিন্তার প্রকাশ করতে গেলে বেপারগুলো এলোমেলো হয়ে যেতে পারে।

আরও একটা বেপার আছে কাজের ধরন ও তার বাজেটের উপরও আপনার প্রকাশভঙ্গি নির্ভর করে। আপনি এমন এমন সব ফিচারের কথা বললেন যার জন্য অনেক টাকা বাজেট লাগবে… কিছুক্ষন পরে সে আপনাকে তার বাজেটের মধ্যেই তার কাজে সেই সব ফিচার এনে দিতে বলবে।

যোগাযোগ:

চিন্তার পরিবর্তন হয় ক্ষনে ক্ষনে। নতুন কিছু করার বেপারে কি আপনি আপনার কথাটি জানিয়েছেন? আপনার সাথে যোগাযোগের সহজ পদ্ধতি রেখেছেন কি? যার কাজটি করছেন বা করতে যাচ্ছেন তার সমন্ধে কতটুকু জানেন? আর এ জানার জন্যই যোগাযোগ রক্ষা করা দরকার। অনলাইন যোগাযোগের উপরে আমি যে টিপসগুলো লিখেছিলাম তা পড়েছিলেন কি? না পড়লে পড়ে নিতে পারেন।

আশা করি আমার বাস্তব জীবনের এ অভিজ্ঞতা অনেকের কাজে লাগবে। আপনাদের অভিজ্ঞতাগুলো ও মতামত দিন। ভাল থাকুন। পরের পোষ্ট পড়ার আমন্ত্রণ রইল।

comments

8 কমেন্টস

  1. ধন্যবাদ টিউটো ভাই। আপনার পোস্টগুলো পড়তে মজাই লাগে

    • আমি অবশ্য জানতাম আমি শুধু শিক্ষনিয় কয়েকটি বেপারে কতা বলি যা অনেকের জনের কাছে বোরিং লাগে। …ভাল লাগলো… এই ধারণা থেকে কিছুটা দূরে যেতে পেরে।

    • অনলাইন আয় বিষয়ক বাংলা ব্লগ

      ইন্টারনেটে আয় করার মত অনেকপদ্ধতির নামআমরাশুনেছি।কিন্তুকোনটির আয় করার পদ্ধতি কিরকম তার বিস্তারিতআমরাঅনেকেইএখনোভালভাবেজানিনা। তবে এটা সত্য যে আমরা যদি অনলাইন থেকেআয়ের ব্যাপারেএকটুসতর্কহই এবং ভালভাবে জ্ঞান লাভ করি তবে আমরাপ্রত্যেকেই বিপুলপরিমানবৈদেশিকমুদ্রা অর্জন করতে পারি। ইন্টারনেট থেকে আয়েরতথ্য নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে http://www.earn-help.co.cc/ওয়েবসাইট।
      ঠিকানা:
      http://www.earn-help.co.cc/

  2. টিউটো ভাইয়া আপনার লেখা গুলো পড়ার মজাই আলাদা।

  3. Bux.to ১০০% ভুয়া সাইট। আপনি http://www.ptc-investigation.com এ যাচাই করে নিতে পারেন।আর একটি কথা কোন সাইট সম্প’কে না জেনেশুনে এরকম পোস্ট করবেন না।

  4. চমত্কার হয়েছে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য………..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.