বর্তমান সময়ে আমরা প্রত্যেকেই কোননা কোনোভাবে কম্পিউটার ব্যবহার করে আসছি। তাই আমাদের প্রত্যেক ব্যবহারকারীরই উচিত কম্পিউটারের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করা। কিছু নিয়ম মেনেই সম্ভব তথ্য চুরি রোধ করা যেমনঃ ভাইরাস, ওয়ার্ম ও হ্যাকিং ইত্যাদি। এভাবেই বাড়ানো যায় কম্পিউটারের নিরাপত্তা। এক্ষেত্রে ফায়ারওয়াল এক বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবস্থা। এটি ইনকামিং এবং আউটগোয়িং ইন্টারনেট সংযোগ পর্যবেক্ষণ করে। হ্যাকারদের হুটহাট আক্রমন এবং নিজে থেকেই ছড়িয়ে পড়া ওয়ার্ম প্রতিহত করতে ফায়ারওয়াল কাজ করে।

এ ছাড়া কম্পিউটারের অনেক নিরাপ্তাও নিয়ন্ত্রণ করে। উইন্ডোজে অপারেটিং সিস্টেম Run এ গিয়ে Firewall.cpl লিখে এন্টার দিন।তাৎক্ষনিক ফায়ারওয়াল সেটিং খুলে যাবে। এর প্রয়োজন সক্রিয় করুন। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারের নিরাপত্তার দায়িত্ব যদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে অবশ্যই ভালো মানের একটি অ্যান্টিভাইরাস বেছে নিন। বিনা মূল্যে অনেক অ্যান্টিভাইরাস পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলোতে নিরাপত্তার সব সুবিধা থাকে না। যেটোই ব্যবহার করু না কেন, অ্যান্টিভাইরাস সবসময় হালনাগাদ করে নিতে হবে। পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অধিকাংশ ব্যবহারকারী ই-মেইল বা ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সমাধান নয়। সহজেই মনে রাখা যায়, এমন পাসওয়ার্ড সবাই ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু আপনার কাছে যেটি মনে রাখা সহজ, সেটি হ্যাকারদের কাছে অনুমান করা তার চেয়েও সহজ।

তাই পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কি-বোর্ডের বিশেষ অক্ষর (!@*&%^#) ব্যবাহার করুন। তাহলে হ্যাকার বা অন্য কেউ সহজে অনুমান করতে পারবে না। ফলে অনলাইনেও নিরাপদ থাকা যাবে। এছাড়াও ইন্টারনেটের যথাযথ ব্যবহার অনেকই করতে পারে না। না বুঝে এবং আকর্ষনীয় বিজ্ঞাপন দেখে হুটহাট তাতে ক্লিক করা থেকে বিরত তাকুন। ই-মেইলের স্প্যাম ফোল্ডারে আসা ইমেইলের লিংকে না বুঝে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। এবং সতর্ক হোন কোন ধরনের সফটওয়্যার আপনি নামাতে বা ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন। আপনাকে আকর্ষণীয় ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন এবং ডলারের প্রলোভন দেখিয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে। তাই আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার আগে ভেবে চিন্তে ক্লিক করুন। নয়তো এক ক্লিকেই কম্পিউটারের বিপদ ডেকে আনতে পারেন যা আপনার প্রত্যাশিত নয়।

comments

কোন কমেন্ট নেই

LEAVE A REPLY

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.