সুরক্ষা করুন আপনার প্রয়োজনীয় এ বন্ধুটিকে

কম্পিউটার সুরক্ষা বলতে আসলে কি বোঝায়? আমরা সকলেই কোন ধরণের সন্দেহ ছাড়া একমত হই যে বর্তমান যুগ কম্পিউটার ছাড়া অচল। কিন্তু আপনার এই সাধের কম্পিউটারটিই যদি আরেকজনের হাতে পড়ে কিংবা কেউ হ্যাক করে আপনার মূল্যবান ও গোপনীয় তথ্য চুরি করে? কি করবেন? আজ এ নিয়েই আপনাদের জন্য কিছু দরকারী টিপস দেয়া হলঃ

কম্পিউটার সম্পর্কে আপনি সচেতন কেন হবেন, এরকম একটি প্রশ্ন এসেই যায়। ব্যাংক, অফিস, দাপ্তরিক কাজ, সুরক্ষা ইত্যাদি নানা তথ্য প্রতিদিন কম্পিউটারে মজুদ হয়ে থাকে। এ তথ্যগুলো আমাদের সকলেরই সুরক্ষিত রাখতে হবে। একটু ভুলের জন্যই ঘটতে পারে চরম সর্বনাশ।

দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, যারা কম্পিউটারে হানা দিয়ে থাকে তারা নিত্যনতুন কিছু উপায় বের করেই থাকে। এই উপায়গুলো এত উন্নতমানের হয়ে থাকে যে কম্পিউটারের মাঝে যে সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকে সেটিকে অনেক সময় বেগ পেতে হয় এই ঝামেলা থেকে উত্তরণের জন্য। মাঝে মাঝে দেখবেন এমন সব ই-মেইল আপনার ইনবক্সে এসে জমা হয়ে থাকে যে এইসব ই-মেইলের মাধ্যমেই আপনার কম্পিউটারের মূল্যবান তথ্য আরেকজনের হাতে চলে যেতে পারে। যদি আপনি আপনার সেটিংস ব্যবস্থা ঠিক করে না থাকেন তাহলে যারা আপনার কম্পিউটার হ্যাক করতে চায়, তাদের জন্য কাজটি অনেক সহজ হয়ে যায়। কারণ, তারা সবসময় একটি ফাঁক খোঁজে কি করে তারা আপনার মূল্যবান তথ্যগুলো নিয়ে নিতে পারে। তাই কেউ ই-মেইল করলে তা ওপেন করবার আগেই কিছু তথ্য যাচাই করে নিন।

১) যিনি আপনাকে ই-মেইলটি পাঠিয়েছে তাকে আপনি আদৌ চেনেন কি না?

২) এই প্রেরকের কাছ হতে আপনি আগেও কি ই-মেইল পেয়েছিলেন?

৩) যদি ই-মেইলের সাথে কোন সংযুক্তি দেয়া থাকে, তাহলে মনে করার চেষ্টা করুন এই সংযুক্তিটি আপনি আশা করছিলেন কি না?

৪) ই-মেইল পাঠানোর যে বিষয়টি রয়েছে সেটি এবং অ্যাটাচমেন্ট ফাইলটির নামের সাথে কোন সামঞ্জস্য আছে কি না তা দেখে নিন।

প্রত্যেক কম্পিউটারের ঠিক করবার জন্য আপনি যদি কাউকে বেছে নিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনার একটি প্যারোল থাকতে হবে।

এই বিষয়গুলো আপনি কোথাও লিখে রাখবেন না বা আপনার ঘনিষ্ঠতম বন্ধুর সাথেও কিছু বলবেন না।

কম্পিউটার যারা হ্যাক করে থাকে, তারা ট্রায়াল এন্ড এরোর পদ্ধতি কিংবা ব্রুট-ফোর্স পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে আপনার কম্পিউটার হ্যাক করবার জন্য।

আপনার প্যারোল কিংবা পাসওয়ার্ডে আলফামেরিক ক্যারেকটার কিংবা বিশেষ ক্যারেকটার দিন।

এমন কয়েক ক্যারেকটারের সমন্বয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করুন যার ফলে এটি কেউ সহজে হ্যাক করতে না পারে। (৮ ক্যারেকটারের ওপরে হলে বেশি ভালো হয়)

এমন কোথাও আপনার পাসওয়ার্ড লিখে রাখবেন না যেটি অন্য কেউ দেখে ফেলতে পারে বা সেই আশঙ্কা রয়েছে।

তরুণদের জন্য কিছু দরকারী পরামর্শঃ 

কোন চ্যাটে বসে কখনো আপনার বাসার ঠিকানা, কোথায় পড়েন কিংবা এমন কোন তথ্য দেবেন না যার ফলে সহজেই আপনার হদিশ খুঁজে পাওয়া যায়।

আপনার ছবি কারো সাথে শেয়ার করবেন না।

যদি এমন কোন মেসেজ পান যেখানে আপনাকে চটুল কথা বলা হয়েছে কিংবা উত্তেজক কিছু বলা হয়েছে। আপনাকে কোন সতর্কবাণী দেয়া হলেও তার প্রত্যুত্তর দেবার দরকার নেই।

 

বাবা মাকে না জানিয়ে কখনো অপরিচিতের সাথে প্রথমবার দেখা করতে যাবেন না শুধুমাত্র চ্যাটিং এর জের ধরে।

সুরক্ষায় রাখুন আপনার কম্পিটার ও প্রয়োজনীয় তথ্য। সুরক্ষায় থাকুন আপনি।

 

সূত্রঃ MediaBangladesh.net

 

 

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.