ওয়েব ডিজাইনের কাজ করতে গিয়ে অনেকে অনেক ধরনের ঝামেলায় পরলেও একটি ঝামেলা বেশিভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সেটা হলো “মানানসই জিনিসটির সুসম ব্যবহার” করা। ওয়েব ডিজাইনে বেশ কিছু অংশ থাকতে পারে। আর সবগুলোকে এক সূত্রে নিয়ে আসতে পারলেই ডিজাইনের একটি বড় কাজ সমাধান হয়ে যায়। অধিকাংশ রিডিজাইনার বা টেম্পলেট ইডিটরদের এই কাজটি বেশি করতে হয়। একটি ওয়েবসাইটের  অনেক অনেক অংশ থাকলেও বেশ কিছু সাধারন বিষয় আছে তার  সুষম ব্যবহার না করতে পারলে বিষয়টি খাপ ছাড়া লাগবে।

আপনি অনেক অনেক ওয়েব সাইটে ভ্রমণ করেছেন। আপনার ক্লাইন্টও অনেক অনেক সাইটে ভ্রমণ করেছে। আপনি যখন একটি সাইট ডিজাইন করতে বসেন এবং আপনার ক্লাইন্ট যখন তার সাইটের জন্য আপনাকে সাজেশন দিবে তখন সে বলতে পারে এই ওয়েবসাইটের হেডারের, এই ডিজাইন আর এই ওয়েবসাইটের ফুটারের এই অংশটি আমার সাইটে দিতে হবে। ডিজাইনে ঐ ওয়েবসাইটের মতো রং থাকতে হবে। অথবা আপনিও এমন কিছু পরিকল্পনা করতে পারেন। ভাবতে পারেন তাদের আইকনগুলোর মতো আইকন বানাবেন। তাদের ফন্টগুলো সুন্দর হয়েছে–ইত্যাদি।

কিন্তু বিভিন্ন সাইটকে অনুসরণ করতে গিয়ে নিজের ওয়েবসাইটটিকি ব্র্যান্ডেবল হচ্ছে কিনা সেটা কি ভেবে দেখেছেন? সঠিক জিনিসটির সঠিক ব্যবহারের বিষয়টি বুঝতে হলে প্রথমে নিজের সাইটের সবগুলো জিনিসকে একটি জিনিস এর মতো বানানোর চেষ্টা করতে হবে। বিষয়টা এরকম যে অনেকগুলো মৌলিক পদার্থ মিলে যেমন যৌগিক পদার্থ হয় ঠিক তেমন। মৌলিক পদার্থ গুলোর গুনাবলীর সাথে যৌগিক পদার্থটির গুনাবলী কিন্তু আলাদা হয়ে যায়। সেটি একটি সতন্ত্র গুণে গুনান্বিনত হয়।  বেশ কিছু পয়েন্ট মনে রাখলে সুবিধা হবে বরে মনে করি। অন্যের সাথে মত নাও মিলতে পারে। ফ্রন্ট-ইন্ড-ডিজাইনারদের ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকতেই পারে।

১. ওয়েবসাইটের রং এর বিন্যাসের ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের অন্যান্য উপাদানের সাথে সামঞ্জস্য একটা ভাব থাকতে হবে।

২. আইকনের সাইজ এর সাথে ফন্টের সাইজের একটি সামঞ্জস্যতা থাকতে হবে।

৩. হেডার অংশের মূল নেভিগেশন আকর্ষনীয় ও ফুটার কম চিত্তাকর্ষক হবে।

৪. নির্দিষ্ট কয়েকটি ফন্টের ধরণ  সাইজ ও রং ব্যবহার করা ।

৫. নেভিগেশনের লিংগুলো সামঞ্জস্যতার ও  এবং প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে সাজিয়ে রাখতে হবে।

৬. ছবি বা ভিডিও কনটেন্ট ( বেশি থাকলে ) সেগুলোর ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সাইজে সন্নিবেশিত করা।

 

এছাড়াও বেশ কিছু বিষয়ে সাঞ্জস্যতার নিয়ম মেনে চললে ও তার সাথে নিজস্ব সৃজনশীলতার ব্যবহার করলে ব্র্যান্ডেবল সাইট বানাতে সুবিধা হবে বলে মনে করি.. আপনারা কি মনে করেন? 😀

comments

2 কমেন্টস

  1. পোস্টটি সুন্দর হয়েছে । মোবাইলের মাধ্যমে wapka.mobi তে ওয়াপ সাইট খুলেছি । আমার ওয়াপ সাইটের লিংকটা পরিবর্তন করতে চাই কিভাবে করব ?

  2. হুম, অনেক দরকারী ব্যাপারগুলো শেয়ার করেছেন। আসলে একজন ওয়েব ডিজাইনারকে অবশ্যই সৃজনশীল হতেই হবে। তা না হলে অন্যের সাইট দেখেও নতুন করে সাইট বানাতে বা ডেভলপ করতে অনেক বেগ পেতে হবে। 😉 😆

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.