অনেক দিন পর বিপিতে কিছু লিখলাম। নতুন ব্লগটি সেটাপে ব্যস্ত ছিলাম বেশ কয়েকদিন। নিয়মিত লেখা না হলেও বিপির পোস্টগুলো প্রতিনিয়ত পড়া হত। ওয়েবসাইট বিষয়ক একটি পোস্ট নিয়ে আজ আপনাদের সামনে হাজির হলাম। আজকের টপিকটা একটু অন্যরকম। আশা করি সবার ভালো লাগবে। একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করা যায়। একটি ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী একে কখন Hierarchical, Network বা Linear অথবা এগুলোর সম্মিলিত উপায়ে বিভিন্নভাবে ভাগ করা হয়ে থাকে। এখানে এই কৌশলগুলো আলোচনা করব।

Hierarchical


  • এই কৌশল ব্যবহার করে ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করা হয়ে থাকে যাতে একজন ভিজিটর সহজেই বুঝতে পারে কোন অংশে তার প্রয়োজনীয় তথ্য আছে। এই কৌশলে ওয়েবপেইজগুলোকে এমনভাবে লিঙ্ক করা হয় যাতে এগুলো বিভিন্ন শাখায় ভাগ করা থাকে। Yahoo.com ওয়েবসাইটটি এই কৌশল ব্যবহার করে বিভিন্ন অংশে ভাগ করা হয়েছে।

Network


  • এখানে সবগুলো ওয়েবপেইজের সাথেই সবগুলোর লিঙ্ক থাকে অর্থাৎ একটি মেনু পেইজের সাথে যেমন অন্যান্য পেইজের লিঙ্ক থাকবে তেমন প্রতিটি পেইজ তাদের নিজেদের সাথেও মেইন পেইজের লিঙ্ক থাকবে। ফ্রেম ব্যবহার করে তৈরী করা ওয়েবপেইজগুলো এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লিঙ্ক করা হয়ে থাকে যাতে একটি ছোট ফ্রেমের মধ্যে অন্যান্য পেইজের লিঙ্কগুলো মেনু আকারে রাখা হয়। এই ফ্রেমটি সাধারণত স্থির থাকে এবং কোন একটি লিঙ্ক নির্বাচন করলে ঐ পেইজটি একটি অপেক্ষাকৃত বড় ফ্রেমের মধ্যে দেখায়।

Linear


  • যখন কোন ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পেইজে ভিজিটে একটি নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে চালনা করার প্রয়োজন হয় তখন Linear গঠনটি ব্যবহার করা হয়। কোন পেইজের পর কোন পেইজে যাওয়া যাবে তা ওয়েবপেইজের ডিজাইনার ঠিক করে থাকে। পেইজগুলোতে Next,Previous বা Back এবং Top,Last ইত্যাদি কয়েকটি লিঙ্কের মাধ্যমে ভিজিটর এক পেইজ দেখতে পারে। এই কৌশলের মাধ্যমে কোন শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু যেমন বই,ম্যানুয়াল ইত্যাদি সাইটে পাব্লিশ করা হয়ে থাকে।

Combination


  • কখনও কোন একটি কৌশল ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা হয় না। বরং একাধিক ডিজাইনের সমন্বয়ে একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয়ে থাকে। Hierarchical টেকনিক ব্যবহার করে সাইট ডিজাইন করলে তা খুব বেশি দর্শনীয় হয় না। আবার শুধু নেটওয়ার্ক টেকনিক ব্যবহার করে তৈরী করা সাইট হার্ড-ডিস্কে বেশি জায়গা দখল করে। তাই একাধিক কৌশল ব্যবহার করে সাইট তৈরী করা হয়। তবে এক ওয়েবপেইজ থেকে আরেক ওয়েবপেইজে যাওয়ার জন্য যা ব্যবহার করা যেমন লিঙ্ক, বাটন, মেনু ইত্যাদি( এদেরকে বলা হয় Navigational টুল) অবশ্যই স্পষ্ট হতে হবে। যদি লিঙ্কগুলো কোন পেইজের উপরে বাম দিকে দেয়া হয় তবে একই লিঙ্ক পেইজের নিচেও দেওয়া উচিত।

ওয়েবসাইটের ওপর পূর্বে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম পড়ে দেখতে পারেন।

***ওয়েবসাইট তৈরীর ক্ষেত্রে প্রাথমিক কয়েকটি বিষয়

ছবিগুলো গুগল হতে সংগৃহীত।

সকলের নিকট বিশেষ অনুরোধ পাঠকগণ অবশ্যই এই পোস্টটি পড়ে দেখবেন- একাডেমিক কার্যক্রমে ফেসবুকের ব্যবহার-একজন শিক্ষকের অভিজ্ঞতা

পূর্বে প্রকাশিত-প্রযুক্তি বার্তা

comments

8 কমেন্টস

  1. ওরে ভাই জটিলেষ্ট হইছে চালিয়ে গেলে দিলে শান্তির হাওয়া বহিত 😆 😆

  2. হিঃ হিঃ যাদের দিলের ভিতর হ্যাকার হয়ার খায়েস পোষন করিতেছেন তাদের …………………

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.