ভারতের ব্যাংকের প্রধান শাখাগুলোতে কাজের দায়িত্ব নিতে চলেছে রোবট কর্মী।

সম্প্রতি চেন্নাইয়ে এই পরিকল্পনার সূচনাও করা হয়েছে।চেন্নাইয়ের কুম্বকোনমে ব্যাংক শাখায় স্থায়ীভাবে যোগ দিয়েছে প্রথম রোবট কর্মী ‘লক্ষ্মী’। এর আগে ২০১৬ সালে এই বিষয়ে পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টা চালানো হয়।

ভারতের অন্যতম ব্যাংক ‘সিটি ইউনিয়ন ব্যাংক’এ দেখা যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যন্ত্র মানবিকে। সে এক সঙ্গে ১২৫টি বিষয়ের উত্তর দিচ্ছে নিমেষে। যদি কোনো গ্রহক তার জমা অর্থের হিসাব, কেউ তার ঋণের আবেদন সম্পর্কে, কেউ স্থায়ী আমানত বা ফিক্সড ডিপোজিটের সম্পর্কে জানতে চান এর সব কিছুই বলে দেবে ‘লক্ষ্মী’। এছাড়া এমন কোনো বিষয়ে যদি প্রশ্ন আসে যা এই যন্ত্রমানবীর জানা নেই তার জন্য সে দেখিয়ে দেবে ব্যাংক ম্যানেজারের কক্ষের দিকে।

আমানতদারীদের গোপনীয়তার বিষয়টিও নজরে রাখে এই রোবট কর্মী। তাই আমানত সংক্রান্ত যে বিষয়গুলো আমানতকারীর কাছে গোপনীয় সেগুলো নিজের মনিটরে দেখিয়ে দেবে এই রোবট।

রোবটটিকে তৈরি করেছেন ভারতের কোয়াম্বাটুরের প্রকৌশলী বিজয় বি শাহ। তার দাবি, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বেশি বুদ্ধিমত্তা হয়ে উঠবে এই রোবট। সিটি ইউনিয়ন ব্যাংকের পাশাপাশি ভারতের বৃহত্তম ব্যাংক ‘এইচডিএফসি ব্যাংক’ মানুষের চেহারার মতো দেখতে বিশেষ রোবট তৈরি করেছে।

অনেকেই মনে করছেন আগামীতে ভারতের ব্যাংকিং পরিসেবার অনেকটাই চলে যাবে এই যন্ত্রমানব ও যন্ত্রমানবীদের হাতে।

তথ্যসূত্রঃদৈনিক জনকণ্ঠ

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.