উবুন্টু কেন ব্যবহার করবেন এমন অনেক পোস্টই হয়তো পড়েছেন। কেন উবুন্টু উইন্ডোজের তুলনায় ভালো, তাও জেনেছেন আমার আগের পোস্টগুলো দেখেই। তবে তারপরও কার জন্য কোনটা ভালো সেটা মূলত ব্যক্তিনির্ভর। কোনো প্রকার ভূমিকা ছাড়াই চলুন সরাসরি জানা যাক উবুন্টু ব্যবহার না করার পক্ষে ৯টি কঠিন যুক্তি। অন্য কথায় বলা যায়, এই ৯টি কারণে আপনি উবুন্টু ব্যবহার করবেন না। চলুন জেনে আসা যাক কারণগুলো কী কী।

2010-09-17_185026

১. আপনার ব্যবহারের আগে দেখে নেয়ার শখ নেইঃ উইন্ডোজ কিনতে প্রচুর টাকা লাগে। এতো টাকা নিয়ে মাইক্রোসফট নিশ্চয়ই ফালতু কোনো প্রোডাক্ট দেবে না। এই সৎ বিশ্বাসে অভ্যস্ত থাকলে উইন্ডোজই শ্রেয়। কারণ, উবুন্টু একে তো দিচ্ছে ফ্রি, তার উপর আবার টেস্ট-ড্রাইভের জন্য ইন্সটলের আগেই লাইভ সিডি ব্যবহার করে চেখে নেয়ার সুবিধা। আপনার এতো কিছুর দরকার নেই। কেবল টাকা দিয়ে প্রোডাক্ট কিনে আনলেই আপনি খুশি।

২. সফটওয়্যার ইন্সটল করা অতিরিক্ত সহজঃ বাজার থেকে সিডি কিনে আনা, অথবা বিশেষ কোনো সফটওয়্যারের জন্য ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাঁটি করা। চার-পাঁচটা সোর্স থেকে ডাউনলোড করা। আনজিপ করা। ইন্সটল করা। সবশেষে যেটা কাজ করে সেটা রেখে বাকিগুলো ডিলিট করে ফেলা। হুমম, বেশ লম্বা কাজ। আপনাকে এতো কাজ করতে দেখলে যে কেউই নিশ্চয়ই ভাববে কত বড় কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ আপনি। খাইছে! অপর দিকে উবুন্টুতে কেবল সফটওয়্যার সেন্টারে ঢুকে না লেখা (এন্টার প্রেস করারও দরকার নেই), পছন্দের সফটওয়্যারের উপর ক্লিক করা আর পাসওয়ার্ড দেয়া। ব্যস! সফটওয়্যার একেবারে ডাউনলোডসহ ইন্সটলড। নাহ, অতিরিক্ত সোজা। আপনি বরং উইন্ডোজের প্রফেশনাল ভাবটাই বেশি পছন্দ করেন।

৩. অতি স্বল্প ভাইরাস, অতিরিক্ত নিরাপত্তাঃ অ্যান্টি-ভাইরাসের দখলেই থাকে কম্পিউটার। মাঝে মাঝে পর্দারও বেশিরভাগ অংশই বিভিন্ন থ্রেট এলার্টে পরিপূর্ণ থাকে। অ্যাভাস্ট ব্যবহারকারীদের ভাইরাস পেলেই মেয়েলি কণ্ঠের থ্রেট হ্যাজ বিন ডিটেক্টেড আর অ্যাভিরা ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে একেবারে পুলিশের সাইরেন। খাইছে! হলিউডের মুভির মতো অবস্থা। আর এসব বাদ দিলে কম্পিউটারও বেশ স্লো থাকে। কম্পিউটার স্লো থাকলে অন্যরাও আপনার কাছ থেকে কম কাজ আশা করবে। বেঁচে যাবেন আপনি। উবুন্টুর মতো ভাইরাস, অ্যান্টি-ভাইরাস, নোটিফিকেশন কিছুই নেই এমন খ্যাত (আসলে খ্যাত না, মরুভ’মি) মার্কা অপারেটিং সিস্টেম আপনার জন্য নয়।

৪. আপনি দামী অফিস স্যুট ব্যবহার করতে পছন্দ করেনঃ ধুত্তোরি! কোনখানের কোন ওপেনঅফিস না কী জানি। খ্যাত মার্কা নাম। তারচেয়ে মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড ২০১০; নাম শুনলেই একটা প্রো প্রো ভাব আসে। অকারণে কেন ৪০০+ ডলার দিয়ে অফিস না কিনে আপনার ছেলেমেয়ে বা আপনার নিজেরই অন্য কোনো চাহিদা পূরণ করবেন? তারচেয়ে ৪০০+ ডলার দিয়ে অফিস স্যুট করুন, বিল গেটসের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অবদান রাখুন।

৫. ফ্রি? কয় কী! বিনামূল্যে পুরো অপারেটিং সিস্টেম? নির্ঘাৎ কোনো গড়বড় আছে। আপনার মনে এমন সন্দেহ বা খুঁতখুঁত থাকতেই পারে। তারচেয়ে জেনুইন অপারেটিং সিস্টেম কিনলে অথবা ইন্টারনেট থেকে খুঁজে অ্যাক্টিভেটর নামিয়ে আপনার উইন্ডোজ কপিটি জেনুইন করলে আপনি অধিক নিরাপদ বোধ করেন? তারপর যখন নতুন কোনো ভার্সন বের হয় আর সেটায় আপগ্রেড করার জন্য মাইক্রোসফট টাকা চায়, তখন আপনার কী মনে হয় সেটা জানার ইচ্ছেটা নাহয় চাপাই দিলাম।

৬. অতিরিক্ত ফ্রি অ্যাপ্লিকেশনের বাহারঃ কম্পিউটারের জন্য কোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন কিনছেন। বেশ সাড়াশব্দ ফেলে মাইক্রোসফটের ক্যাটালগ ঘাঁটলেন। অফিস স্যুটসহ বিভিন্ন প্রোগ্রাম নির্বাচন করলেন। বেশ ভাবসাব নিয়ে দোকান থেকে সিডি কিনে আনলেন। টাকার কথা বাদই দিলাম, কারণ আপনি দোকান থেকে জেনুইন অফিস (জেনুইন উইন্ডোজ তো অনেক শুনেছেন, অফিসের ক্ষেত্রে যে জেনুইন বলে একটা কথা আছে, জানেন কী?) কিনছেন না। ৫০ টাকায় জেনুইন অফিস পাওয়া যায় না। অন্যদিকে উবুন্টুতে এতো বেশি অ্যাপিকেশন আর সফটওয়্যার। নাহ, এসব সস্তা (সস্তাও না, মাগনা) জিনিস ঘেঁটে ‘ইমেজ’ নষ্ট করার কোনো মানে হয় না।

৭. ডকুমেন্টেশন বেশি সহজঃ অন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে হয়তো কোনো কিছু নিয়ে সাহায্য চাইতে পারেন, কিন্তু মাইক্রোসফটের পণ্য, মাইক্রোসফটের ক্যাটালগ ঘাঁটাই তো শ্রেয় তাই না? কিন্তু হায়, বহু ঘাঁটাঘাঁটি করেও মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নিজস্ব এমন কোনো সাইট পেলেন না যেখানে উবুন্টুর http://help.ubuntu.com মতো সবকিছু এতো সহজে বলা আছে। থাক, চিন্তা করবেন না। অন্য ব্যবহারকারীর সাহায্যই নিন।

৮. অতিরিক্ত ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্টঃ বাজারে উইন্ডোজের বহুরূপী ভার্সন না খুঁজলেও পাওয়া যায়। আর আপনি যদি উইন্ডোজের এনভায়রনমেন্টে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে চান, থিম ডাউনলোডের সাইটের অভাব নেই। অন্য দিকে উবুন্টু অফিসিয়ালিই অতিরিক্ত ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট সাপোর্ট করে। উবুন্টু চলে জিনোম ইন্টারফেসে। কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার অনেক পুরনো? জুবুন্টু রয়েছে আপনার জন্যই। এডুবুন্টু ব্যবহার করে আপনি শিক্ষা সংক্রান্ত কাজ করতে পারবেন অন্য যেকোনো এনভায়রনমেন্টের তুলনায় অধিক সহজে। গ্রাফিক্সপ্রেমী হলে কুবুন্টু দেখে মাথা নষ্ট হয়ে যাবে। আর যদি ফাস্টার কম্পিউটিং-এর প্রয়োজন হয়, লুবুন্টু তো আছেই। এছাড়াও আরও বহু ইন্টারফেস রয়েছে। ধূর! এতো ঝামেলার দরকার কী। তারচেয়ে উইন্ডোজ নিয়েই থাকুন। এক ডেস্কটপ সব কাজ!

৯. বেশি ডিজাইনঃ আপনার কম্পিউটারে রোটেটিং উইন্ডো, উবলি উইন্ডো, ডেস্কটপ কিউব, মাল্টিপল ওয়ার্কস্পেস, উইন্ডো ট্রান্সপারেন্সি এতোকিছুর দরকার নেই। কে জানে পেছন থেকে কেউ না আবার আপনার ডেস্কটপের আর কী কারসাজি আছে তা দেখার জন্য পপকর্ন নিয়ে বসে পড়ে! তারচেয়ে আর দশজনের মতোই রাখুন আপনার ডেস্কটপ।

অতএব, খামোকা উবুন্টু নিয়ে সমাজে আপনার ইমেজ নষ্ট করার দরকার কী? তারচেয়ে উইন্ডোজ ব্যবহার করুন। সমাজে মাথা উঁচু করে চলুন এবং বুক ফুলিয়ে বলুন, ‘আমি উইন্ডোজ ব্যবহার করি!’

শেষ কথা

পোস্টটি পড়ে অনেকেই হয়তো এর মর্ম বুঝতে পারবেন না এবং উল্টাপাল্টা মন্তব্য করবেন। আমি অনুরোধ করছি, মন্তব্য করার আগে পোস্টটি ভালো মতো পড়ে নিন এবং এর টোন বোঝার চেষ্টা করুন। অবশ্যই আমি দাবি করছি না যে সবার জন্য উবুন্টু স্বয়ংসম্পূর্ণ। উবুন্টু নিজে অবশ্যই একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম। কিন্তু আপনি যদি ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদিতে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, তাহলে উবুন্টুর কী দোষ? ফটোশপ তো আর উইন্ডোজের সঙ্গে থাকে না। এটি থার্ড পার্টি সফটওয়্যার। তাই উবুন্টুতেও এটি পাবেন না। অবশ্য এখনও ফটোশপসহ বেশ কিছু সফটওয়্যার উবুন্টুতে কাজ করে না। এর কারণ কোম্পানিগুলো এখনও লিনাক্স ভার্সন বের করেনি এবং আশা করা যাচ্ছে শিগগিরই বের করবে। কারণ, মানুষের লিনাক্সমুখিতা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি।

আরেকটি ব্যাপার, অনেকেই মনে করেন তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশেই বুঝি মানুষ উইন্ডোজ কিনতে পারে না বিধায় লিনাক্স নিয়ে মাতামাতি করে। আসল কথা উল্টোটা। বরং উন্নত দেশগুলোর মানুষই এখন ব্যাপকহারে লিনাক্স অথবা ম্যাকমুখী হচ্ছে। যদি অনেক টাকা থাকে এবং টাকা দিয়েই ওএস কিনতে হয়, ম্যাক কিনুন। অন্যথায় উবুন্টু ব্যবহার করুন। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেককে দেখেছি যারা লিনাক্স ব্যবহার করে ম্যাকের অভাব ভুলে গেছেন। কারণ, তাদের প্রয়োজন ছিল উইন্ডোজ থেকে দূর হওয়া এবং সুন্দর ও কাজ করার উপযোগী একটি ওএস। লিনাক্স তাদেরকে তা দিয়েছে, কারণ ম্যাক ও উবুন্টু, দু’টোই ইউনিক্সের উপর তৈরি এবং এদের কাজও একই রকম। ম্যাক ইউজাররা লিনাক্স ইউজ করতে পারবেন এবং লিনাক্স ইউজাররাও ম্যাক ইউজ করতে পারবেন সহজেই।

comments

33 কমেন্টস

  1. দারুন পোষ্ট……অনেক ধন্যবাদ আপনাকে । কিন্ত আমি উবুন্টু ইউস করতে জানিনা , তাই ইউস করি না ।

    • উবুন্টু ইউজ করা পানির মতো সোজা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কঠিন, তবে পাওয়ার ইউজার ছাড়া আর কারোর ক্ষেত্রেই সেই কিছু কিছু ক্ষেত্রগুলো প্রযোজ্য নয়।

  2. জটিল লিখছেন, তবে শিরোনামে উবুন্টু না লিখে লিনাক্স লেখা উচিত ছিল।

    love linux

  3. হা হা হা মারাত্তক যুক্তি। “৪০০+ ডলার দিয়ে অফিস স্যুট করুন, বিল গেটসের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অবদান রাখুন” জটিল ডায়ালগ :p । মিন্ট টা আমার কাছে ভালো লাগে। যাই হোক আমিনুল ইসলাম সজীব ভাই কে ধন্যবাদ পোষ্ট টি করার জন্য। গোপন কথাঃ ( মাত্র ম্যাক ওএস লেটেষ্ট ভার্শন ডাউনলোড শেষ হলো {দুই সপ্তাহ লাগছে ৬.১৭ গিগা} টেষ্ট কইরা দেখি আমার HP মিনিতে) 😉

    • টেস্ট করে দেখতে পারেন। তবে মজা পাবেন বলে মনে হয় না। এইচপি মিনিতে ম্যাকের মজা নিতে চাইলে উবুন্টু + ম্যাক থিম ইউজ করতে পারেন। পাগল হইয়া যাইবেন। 😉 ম্যাকের মজা নিতে হলে ম্যাকের মেশিনই লাগে। অন্য মেশিনে ভালো পারফরম্যান্স পাবেন না।

  4. ভাই এইরকম পোষ্ট পড়তে অনেক মজা লাগে… মানুষ কি আগ্রহ নিয়ে পড়বে আর আপনি কি লিখলেন। প্রথমে মনে হয়েছিল শিরোনাম দেখে আপনাকে গালি দেই কিন্তু না পড়ে বুঝলাম আপনি কিসের পাল্লা ভারী করলেন। ধন্যবাদ লিনাক্সের সাথে থাকার জন্য….

  5. আমার কুবুন্টু সিডিটা নষ্ট আসছে । এ আবার request করাতেও তা তারা মানছে না ।
    এখন কিভাবে আমি কুবুন্টুর আরেকটা সিডি পেতে পারি ?????

    • টানা একদিন ডাউনলোড দিয়ে আমি ১টা ডিষ্ট্রো নামাইতে পারি। আর এমনে ডাউনলোড করতে গেলে ২ থেকে ৩ দিন লাগে আমার।

  6. শিরোনামটা দেখে মোটামুটি একটা ভালই ধাক্কা খেয়েছিলাম কিন্তু পুরোটা পড়ার পর আর সেই ধাক্কাটা কাটিয়ে হাসতে শুরু করেছি! 😛
    বিশেষ করে “৪০০+ ডলার দিয়ে অফিস স্যুট করুন, বিল গেটসের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অবদান রাখুন” লাইনটা নিয়ে আর কোন মন্তব্য করলাম না 😛

  7. ভাই, আপনি এখানে উবুন্টু ব্যবহারের পক্ষে অনেক কিছুই বললেন, আপনার আগের লেখা গুলোতেও এমন অনেক কথা জেনেছি এবং জানার কাজটা সত্যিই অনেক ভালো কাজ। তাই আমার কাছ থেকেও কিছু জেনে নিন। আপনার উবুন্টু ব্যবহারের পক্ষে লেখা গুলো নিঃসন্দেহে যুক্তিপূর্ণ। আপনার এই প্রবল যুক্তিপূর্ণ কথায় লালায়িত হয়ে আমি ইন্টারনেট থেকে অনেক সাধনার পর উবুন্টু ডাউনলোড করি এবং যথারীতি সিডিতে রাইট করি। তারপর যখন সেটি ড্রাইভে রেখে টেস্ট করি মনে হয়েছিল আমার কষ্ট বুঝি স্বার্থক হল! প্রথম দেখায় উবুন্টু ভালোই লাগল।
    তারপর আমি উবুন্টু উইন্ডোজ এক্সপির সাথে সাইড বাই সাইড ইন্সটল করি, কিন্তু তখনি স্ক্রিনে একটি অ্যালার্ট দেখতে পাই যে আমার হার্ডডিস্কে নাকি সমস্যা আছে, যাহোক আমি এই ব্যপারটা এড়িয়ে গিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট করি। রিস্টার্ট তো হল কিন্তু স্টার্ট আর হলনা, না এক্সপি না উবুন্টু, কম্পিউটার বুট-ই হচ্ছেনা। এখানে একটা কথা বলে রাখি যে উবুন্টু যখন ইন্সটল করি, তখন এরকম একটি মেসেজ এসেছিল যে বুট লোডার ইন্সটল করা যাচ্ছেনা, আমি কয়েকবার রিট্রাই এ ক্লিক করি কিন্তু তারপরও না হওয়াতে আমি ইন্সটলেশান শেষ করি বুট লোডার ছাড়াই।
    যাহোক, এরপর তো কম্পিউটার ফর্মেট করা ছাড়া গতি নেই, তাই ভাবলাম এবার উবুন্টুই শুধু ইন্সটল করব। যেই ভাবা সেই কাজ, উবুন্টু ইন্সটল হল। কিন্তুী এবারও হার্ডডিস্ক সম্পর্কে একই মেসেজ এল। মাথা বিগড়ে যাবার মত অবস্থা, ভাবলাম উইন্ডোই চলুক, তাই উইন্ডোজ এক্সপির সিডিটা কম্পিউটারে ঢুকিয়ে রিস্টার্ট বাটনে চাপি।
    তারপর যখন সিডি থেকে বুট হল, আমি ইন্সটল উইন্ডোজ এক্সপি সিলেক্ট করলাম এবং আমার কম্পিউটারের ড্রাইভ গুলোর স্ক্রিনটি এল, তখনি আমার চক্ষু চড়কগাছ অবস্থা! আমার হার্ডডিস্ক মেমোরি একবারেই একসাথে দেখাচ্ছে! তার মানে আমার ড্রাইভ গুলো ডিলেট হয়ে গেছে! আমার সাধের এত তথ্য সব গেল কই? ভাইরে, মূহুর্তের জন্য আমার মনে হল আমি গরিব হয়ে গেছি, কেঁদে ফেলার মত অবস্থা!
    যাক, “সবই কপালের লিখন” এই কথাটা মেনে নিয়ে উইন্ডোই ব্যবহার করতে লাগলাম, কয়েকটি ডিভিডিতে কিছু সেভ করা ছিল এগুলোই এখন আমার সম্বল, এগুলো নিয়েই আছি।
    আজকে আমি আবার সেই উবুন্টুর সাক্ষাত পাই! আমি কিছুদিন আগে অনলাইনে একটি উবুন্টু সিডির রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলাম, যার জন্য আজ পোস্টম্যান আমাকে সেটি দিয়ে যায়। এখন ভাবছি কি করব।

    • মাহফুজ ভাই, আমার মনে হয়, আপনার কপাল খারাপ। কারন আমিও কিন্তু উইন্ডোজ এক্সপি এবং উবুন্টু একই সাথে চালাচ্ছি …… কোন প্রব্লেম পাইনাই……

  8. ম্যাক ইউজাররা লিনাক্স ইউজ করতে পারবেন এবং লিনাক্স ইউজাররাও ম্যাক ইউজ করতে পারবেন সহজেই। কথা তা বুঝলাম না।

  9. পাগল নাকি লোকটা? লিনাক্স বোঝেন না দেখেই এসব উদ্ভট কথা বলছেন!!

  10. উবুন্টু তে কি pc গামেস খেলা যায় যেগুলো আমরা মার্কেট থেকে dvd হিসেবে কিনি like gta,need for speed,mafia etc.
    উবুন্টু তে কি কমান্ড লিখে কাজ করতে হয় নাকি মউসে এর ক্লিক এ সব হয় windows এর মত .

  11. ভাই আপনার পোস্টটা পড়লাম। ভালোই sarcasm করছেন তবে একটা ব্যাপার বলতে চাই আপনাকে, আমি ১০ বছর ধরে windows operating system দিয়ে PC ব্যাবহার করছি কিন্তু বিল গেটসকে এক টাকাও দেইনি আজ পর্যন্ত। এমন না যে আমি বিশাল ভক্ত windows এর কিন্তু শুধু photoshop না আমার এমন সব application/software ব্যাবহার করতে হয় যেগুলোর linax version এখনো নেই যেমন auto cad, 3ds max ইত্যাদি। আর PC games তো আছেই। কি operating system কি software ব্যবহার করছি এটা নিয়ে লোকের কাছে গর্ব করার তো কিছু নেই, কি কাজ করছি সেটাই আসল। windows দিয়ে আমার কাজ বেশ চলে যাচ্ছে। আর virus নিয়েও আমার কোনো সমস্যা হয়না কখনো কেন জানিনা(পয়সা দিয়ে antivirus ও তো কিনি না)। যাই হোক linax ফ্রীতে পাওয়া যায়, interface, appearance অনেক জোস্‌ সবই জানি তবে প্রয়োজনীয় সব application গুলোর linax version বের হওয়া পর্যন্ত তো বসে থাকতে পারি না তাই না। আরেকটা ব্যাপার, আপনি mac এর এত গুণ গাইলেন ubuntuর সাথে কেন বুঝলাম না। ওটাও তো পয়সা দিয়ে কিনতে হয়। বিল গেটস কে আরো বড়লোক বানাতে আপত্তি কিন্তু স্টিভ জবসকে বড়লোক বানাতে আপত্তি নেই কেন বুঝলাম না। যদিও mac এর বিরোধী নই আমি, ওটা just আরেকটা operating system.

  12. আপনি জীবনে কইটা অরজিনাল সফটওয়ার ব্যবহার করেছেন টাকা দিয়ে কিনে । crack,keygen দিয়া windows ব্যবহার করে এত বড় কথা বলতে হয় না। Linux ব্যবহার করে খারাপ লাগলে বলুন তাই বলে যা খুশি তাই বলবেন এটাতো হইল না।

  13. ভাই আমিনুল ইসলাম ।আপনার কাছে সাহায্য চাই।তথ্য দিয়ে সাহায্য করুন ।Please.
    আমি ubuntu.com থেকে উবুন্টু ১১.০৪,উবুন্টু ১০.০৪, জুবুন্টু ১১.০৪ ডাউনলোড করেছি। পরপর সব চেষ্টা করছি। কোনটাই সেটআপ হচ্ছে না।আমি Universal-USB-Installer-1.8.5.7 দিয়ে ৮জিবি পেনড্রাইভে বুট করছিলাম। সেটআপ হচ্ছে না। সিডিতে রাইট করছি। সেটআপ হচ্ছে না। সেটআপ এর শেষ সময় কম্পিউটার হ্যাং হচ্ছে ।

    ubuntu.com এ যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই করেছি। সেটআপ হয়নি।”Download Windows installer ” এ লেখা মতো সরাসরি ইন্টারনেট থেকে সেটআপ দিয়েছি wubi.exe দিয়ে ।Setup হয়ে ছে কিন্তু কাজ হয়নি।Setup এর পর reboot windows চায় অথবা reboot windows later চায় । reboot windows দিয়ে ছি ।windows restart দেয়।option আসে windows 7 ও
    Ubuntu .Ubuntu দিলে ubuntu start দেয় ।এবং computer হ্যাং করে।৩ টি computer এ ট্রাই করছি ।লাভ হয়নাই।

    COMPUTER 01:PROCESSOR :CORE i5(2.8 SECOND generation)(pc)
    RAM:4GB
    WINDOWS 7
    INTERNET SPEED:512 KBPS
    HDD:500 GB
    32 bit
    COMPUTER 02:PROCESSOR:PENTIUM 4 1.7GHZ(laptop)
    RAM:265MB
    WINDOWS XP.
    32 bit.
    COMPUTER 03.PROCESSOR:intel celeron 2.88 ghz(pc)
    ram:1 gb
    WINDOWS XP.
    সমাধান দিবেন please.

  14. ভাই,মনে হয় আপনার নামানো ফাইলটি করাপট।আর ubuntu 12.10 দেখে পাগল।তবে একটা সমসসা।ubuntu software center দিয়ে software ঢুকাইতে পারি না।সফটওয়্যার ঢুকাতে গেলে ০% এ আটকে থাকে।

  15. I just want to say I am newbie to blogging and truly liked you’re blog site. Most likely I’m likely to bookmark your blog post . You absolutely have amazing writings. Bless you for revealing your web site.

  16. *Good job on this article! I really like how you presented your facts and how you made it interesting and easy to understand. Thank you.

  17. Aside from that, a number of people baseball rrnternet sites and even have give up providers in-built, one droit entertainers, everyone host or hostess marketing team, fine cuisine possibly a 100% return, in the event you generally very pleased with the help. Air everyday close, look for question ton where you stand outstanding, throughout the financing outlook, even so, if you’re a original little league hobbyist the only real issue that shows one particular thing may be guide all squad on the path to accomplishment. Additional great this is the way so that you otherwise very best order, have a look at. ——————–http: //world widespread vast. amazines. com/article_detail.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.