গাছকে নিয়ে জানার আছে অনেক কিছু সূত্রঃ ইন্টারনেট

বৃক্ষ সূর্যের আলো থেকে শক্তি নিয়ে পাতার ক্লোরোফিলের সাহায্যে পত্ররন্ধ্রে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয়ে থাকে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া- এই সংজ্ঞাটি মোটামোটি আমাদের সবারই জানা। আমরা, মানুষরা নানা ধরণের খাবার খেয়ে থাকি। কেউ শাকাহারী আবার কেউ বা মাংসাশী। কেউ তেল দিয়ে রান্না খাবার একদমই পছন্দ করি না আবার কেউ তেল ছাড়া রান্না খাবার খেতেই পারি না। কিন্তু গাছের কথা কি কখনো আমরা ভেবেছি? আমাদের উপকারী বন্ধু, যার দেয়া অক্সিজেন না থাকলে এক মুহুর্তও আমরা বাঁচতাম না। সে গাছ কি খায় বা তার ডায়েট চার্টে কি রয়েছে, এটি নিয়েই আমাদের আজকের আলোচনাঃ

মাটি, পানি, সার এবং সূর্যের আলো- এগুলোই কি উদ্ভিদের খাবার হিসেবে প্রয়োজনীয় নাকি আরো কিছু আছে? উদ্ভিদ কি শাকাহারী নাকি সেও মানুষের মত মাংস ভক্ষণ করে? মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিষয়ক অধ্যাপক নিকোলাস মানি বলেন, “কম কথায় যদি বলতে হয়, তাহলে বলতে পারি উদ্ভিদ কখনওই শাকাহারী নয়। কিন্তু উদ্ভিদ সরাসরিও মাংস ভক্ষণ করতে পারে না। তাহলে কোন প্রক্রিয়ার সাহায্যে তারা এটি সম্পন্ন করে থাকে?”

"এখানে পিকনিক নয়" এমন সাইনবোর্ড ভবিষ্যতে দেখা গেলেও যেতে পারে সূত্রঃ ইন্টারনেট
“এখানে পিকনিক নয়” এমন সাইনবোর্ড ভবিষ্যতে দেখা গেলেও যেতে পারে
সূত্রঃ ইন্টারনেট

ফাঞ্জাই এর সাহায্যে উদ্ভিদ গলিত প্রাণীর খাদ্যকণা ভক্ষণ বা গ্রহণ করে থাকে, বলেন নিকোলাস।
পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম ইত্যাদি আরো নানা ধরণের খনিজ পদার্থ উদ্ভিদের বেঁচে থাকবার জন্য প্রয়োজন হয়ে থাকে। ফাঞ্জাই এদেরকে সাহায্য করে তা গ্রহণ করবার জন্য। মাশরুম বা যেটি “ব্যাঙের ছাতা” হিসেবে পরিচিত, এটি এই পরিকল্পনার একটি খুবই বাস্তব ও যৌক্তিক উদাহরণ হতে পারে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে উদ্ভিদ বলতে যা বোঝায়, মাশরুম তা নয়। তাহলে এর উদাহরণ দিয়ে কি বাকিদের আনা যাবে?
হ্যাঁ যাবে। এর কারণ হচ্ছে, উদ্ভিদ যে কোন প্রজাতিরই হোক না কেন, বেঁচে থাকবার জন্য এর প্রয়োজন বিশাল একটি ফাঞ্জাই নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্ক তাকে পানি শুষে নিতে সাহায্য করে ও নতুন আহার যোগায়। এই আহারের সাথে রয়েছে গলিত প্রাণীর দেহাবশেষ।
এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে থাকে সিম্বায়োটিক উপায়ে। উদ্ভিদ তার উৎপন্ন শ্যুগার ফাঞ্জাইকে দেয় এবং ফাঞ্জাই পানিতে মিশে যাওয়া তিন ধরণের খাদ্য উপাদান উদ্ভিদকে প্রদান করে থাকে।
এভাবেই উদ্ভিদ ও ফাঞ্জাই পরস্পরকে শতাব্দীর পর শতাব্দী খাদ্য ও বেঁচে থাকার উপকরণ যুগিয়ে আসছে!

সূত্রঃ লাইভ সাইন্স

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.