টুইটারের মাধ্যমে উইকিলিকস কর্মীদের গোপন বার্তা সমূহ প্রকাশ করার জন্য টুইটারের কাছে এক আইনী নোটিশ পাঠিয়েছে যুক্তরাস্ট্র সরকার। মূলত জুলিয়ান এসাঞ্জ এবং অন্যান্য উইকিলিকস কর্মীদের টুইটারের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে আদান প্রদান করা বার্তা সমূহ উইকিলিকস সংক্রান্ত তদন্তে কাজে লাগবে বলে দাবী করছে তারা। টুইটার ছাড়াও অন্যান্য ওয়েব সার্ভিস যেগুলো এসাঞ্জ ব্যবহার করেছেন, সেগুলোর কাছেও এই আইনী নোটিশ পাঠানো হবে।

নিউ ইওর্ক টাইমস এর এক রিপোর্টে জানা যায়, যুক্তরাস্ট্রের গোপন তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত আইনি কাজে ওয়াশিংটন তথ্য প্রমান সংগ্রহ করছে। এরই প্রেক্ষিতে টুইটারের কাছে উইকিলিকস এবং এর কর্মীদের বিভিন্ন গোপন তথ্য যেমনঃ প্রাইভেট ম্যাসেজ, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি জানতে চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে।

অন্যান্য ওয়েব কোম্পানীর মত টুইটারের একটি স্পাই গাইড রয়েছে যেখানে বলা হয়েছেঃ

“In accordance with our Privacy Policy and Terms of Service, non-public information about Twitter users is not released unless we have received a subpoena, court order or other legal process document.”

এ থেকে সহজেই বোঝা যায় যে, খুব তাড়াতাড়ি এ সকল তথ্য সরবরাহ করা হবে যুক্তরাস্ট্র সরকারের কাছে। ১৪ ডিসেম্বর ২০০৯ এ ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস থেকে পাঠানো এই আইনী নোটিশ এ যে সকল তথ্য চাওয়া হয়েছে তা নিম্নরুপঃ

  • সেশন এবং কানেকশন রেকর্ড
  • টেলিফোন নাম্বার
  • ক্রেডিট কার্ড তথ্য
  • ইমেইল এবং আইপি এড্রেস
  • অন্যান্য সংযুক্তি এবং নোট

এদিকে জুলিয়ান এসাঞ্জ মনে করছেন যুক্তরাস্ট্র ভিত্তিক অন্যান্য ইন্টারনেট কোম্পানী যেমন, গুগল এবং ফেইসবুকের কাছেও তার এবং তার সহকর্মীদের তথ্য জানতে চেয়ে এ ধরনের নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

উইকিলিকস মূলত যুক্তরাস্ট্র ভিত্তিক বিভিন্ন কোম্পানীর উপর নির্ভরশীল ছিল। পেপাল, ভিসা, মাস্টারকার্ড ইত্যাদি কোম্পানীর মাধ্যমে তারা ফান্ড সংগ্রহের কাজ করেছিল। এবং আমাজন ছিল তাদের হোস্টিং প্রোভাইডার। কিন্তু বেশ কিছুদিন আগে এসব কোম্পানী উইকিলিকসকে সার্ভিস প্রদান করতে অসম্মতি জানায়। ফেইসবুক এবং টুইটারের উইকিলিকস একাউন্টও বেশ কার্যকর ছিল। তবে এখন সম্ভবত তাদের বিকল্প চিন্তা করতেই হচ্ছে…

comments

9 কমেন্টস

  1. তবে আমার মনে হয় টুইটারের সময় হয়েছে অপারেশন পে-ব্যাক দেখার। হা হা হা … ইমতিয়াজ ভাই কে ধন্যবাদ আমাদের কে আপ-ডেট করার জন্য।

  2. বুঝা গেলো, যুক্তরাস্ট্রভিত্তিক কোন ওয়েবে তথ্য নিরাপদ নয়। প্রয়োজন পরলে তারাও আমাদের তথ্য নিয়ে খেলা করতে পারে। ধরা যাক, কোন দেশের মুক্তি যোদ্ধারা তাদের তথ্য আদান প্রদান করছে টুইটারের মাধ্যমে। সেই সব যোদ্ধারা যুক্তরাস্ট্রবিরোধী হলে তাদের তথ্য ফাঁস করতে টুইটারের বাধবে না। কিন্তু গ্লোবাল সার্ভিসের ক্ষেত্রে গ্লোবাল চিন্তায় বিশ্বাসী হতে হবে।

    জুলিযাস আসাঞ্জ যে কাজটা শুরু করেছে–এটা আরো ব্যাপকতা লাভ করবে… অনেকেই খবরের প্রধান শিরোনাম হতে চায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.