অনলাইন ভিত্তিক কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান ই-কুরিয়ারের ‘ই-কুরিয়ার সামার মাচেন্ট মিট আপ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ মে, বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ই-কুরিয়ারের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে এ মিট আপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক শামীম আহসান, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি রাজিব আহমেদসহ অনেকে।

IMG_9222শামীম আহসান বলেন, আমাদের দেশে বর্তমানে ই-কমার্স খাত বেশ ভালো ভাবেই এগিয়ে চলেছে। এ ক্ষেত্রে যে সেবাটি সাধারণত বেশি নির্ভরযোগ্য ভাবে প্রয়োজন হয় সেটি হচ্ছে কুরিয়ার সেবা। আর অনলাইন ভিত্তিক কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ই-কুরিয়ার এ ক্ষেত্রে দারুন কাজ করছে।

মুনির হাসান বলেন, আমাদের তরুনরা নানা ধরনের প্রযুক্তি ভিত্তিক উদ্যোগ নিয়ে সফলতার সঙ্গে কাজ করছে। ই-কুরিয়ার এ ধরনের উদ্যোগের মধ্যে একটি। ই-কুরিয়ারের সফলতা কামনা করে রাজিব আহমেদ বলেন, ই-ক্যাব ই-কমার্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে কাজ করে। এর সঙ্গে কুরিয়ারের বিষয়টি যেহেতু জড়িত তাই এ ধরনের সেবাগুলোকে আমরা বেশি বেশি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করি।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ই-কুরিয়ারের মার্চেন্টদের সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অনলাইন ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মাচেন্টদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ই-কুরিয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব ঘোষ রাহুল। তিনি বলেন, সাধারণ কুরিয়ার সেবার বাইরে অনলাইন ভিত্তিক উন্নত কুরিয়ার সেবা দিতে ই-কুরিয়ার বদ্ধপরিকর। আমরা আমাদের মার্চেন্টদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে চাই এবং তথ্যপ্রযুক্তি সুবিধার সঙ্গে পরিচিত করেও তুলতে চাই।
অনুষ্ঠানে সেরা ৫ মার্চেন্টকে পুরস্কৃত করা হয়। এতে ইলেকট্রনিকস ও গ্যাজেট ক্যাটাগরিতে সেরা ই-কমার্স সাইট ‘ফেমাসহাট ডট কম (famoushaat.com)’, সেরা রেসপনসিভ মার্চেন্ট হিসেবে ‘পপস’, সবচেয়ে বেশি পার্সেল ডেলিভারী হিসেবে ‘নকস’, সেরা গ্রাহকসেবায় ‘আজকের ডিল’, সেরা ই-কমার্স সাইট হিসেবে কে এল শপিং মার্ট, লাইফস্টাইল ক্যাটাগরিতে সেরা ই-কমার্স সাইট হিসেবে ‘বাগডুম’কে পুরস্কৃত করা হয়। এ আয়োজনে সহযোগী ছিলো আজকের ডিল, লিংকিং লুপ এবং নিজল প্রোডাকশন।
ই-কুরিয়ার সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ই-কুরিয়ার বাংলাদেশের একটি সাইকেল ভিত্তিক কুরিয়ার সার্ভিস। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল বিভিন্ন ধরনের নথিপত্র ও পার্সেল কাঙ্খিত জায়গায় পৌছে দেওয়া উদ্দেশ্য নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। এরপরে ই-কমার্স ব্যবসায়ী সেবা দেওয়া শুরু করে। ই-কুরিয়ারের গ্রাহক সেবার সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যগুলো মধ্যে রয়েছে অ্যান্ডয়েড অ্যাপ, নিজস্ব ওয়েবসাইট, এসএমএস সুবিধা। যার মাধ্যমে গ্রাহক যেকোনো সময় তার পণ্যের অবস্থান জানতে পারবে। এছাড়া ই-কুরিয়ার দিনের দুটো সময়ে অর্ডার নিয়ে সেই দিনেই পণ্য পৌছে দেবার মত সেবাও দিচ্ছে। ই-কুরিয়ারের রয়েছে ডোর টু ডোর সুবিধা।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ২ হাজারের বেশি ই-কর্মাস সাইটের ই-কুরিয়ার সেবা দিচ্ছে। ঢাকা শহর ছাড়াও আগামীতে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া লক্ষ্যে কাজ অনলাইন ভিত্তিক কুরিয়ারের প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকাতে ৮ ঘণ্টা, ২৪ ঘণ্টা ও ৪৮ ঘণ্টা এই তিনটি সময়ের ব্যবধানে ই-কুরিয়ার পণ্যটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়। ই-কুরিয়ার সার্ভিসটি মুলত সাইকেলের সাহায্যে পরিচালনা করা হয়। ঢাকা শহরে সবচেয়ে বড় সমস্যা যানজট। আর সাইকেলে কোনো জ্বালানি খরচ লাগে না। সাইকেলের সুবিধা নানামুখী। এই জন্য ই-কুরিয়ারের বাহন হিসেবে সাইকেলকে বেছে নিয়েছে। প্রসঙ্গত, ই-কুরিয়ারের যাত্রা শুরু হয় ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে। ই-কুরিয়ারের ঠিকানা www.ecourier.com.bd

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.