ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে দেশের সফটওয়্যার ব্যবসা, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও আউটসোর্সিং ব্যবসায় বড় ধরনের ধস নামতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চলতি অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

বাংলাদেশ প্রতি সেকেন্ডে মোট ৩৪০ গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করে।এরমধ্যে ২২০ গিগাবাইট আসে প্রতিবেশি দেশ ভারত থেকে।বাকিটা স্থানীয় সাবমেরিন ক্যাবল থেকে।কিন্তু ভারতের সাবম্যারিন ক্যাবলের ত্রুটির কারণে গত তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশের ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে।এতে দেশের সফটওয়্যার ও আউটসোর্সিং ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভারতের সাবমেরিন ক্যাবলের ত্রুটির কারণে দেশের ইন্টারনেট ব্যবহার কমে এসেছে প্রতি সেকেন্ডে ১৫০ গিগাবাইট, যার যোগান দিচ্ছে স্থানীয় সাবম্যারিন ক্যাবল। ধীরগতির ইন্টারনেট দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে বেশ ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর প্রেসিডেন্ট মোস্তফা জব্বার বলেন, চলতি মাসে এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে তাতে ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে আমাদের।গত অর্থ বছরে আমরা সফটওয়্যার রফতানি করে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছি।২০২১ সালের মধ্যে সরকার এ লক্ষমাত্রা পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যেতে চায়।আমাদের সফটওয়্যার ও আউটসোর্সিং ব্যবসা ইন্টারনেটের গতির ওপর নির্ভর করে।কিন্তু ইন্টারনেটের বর্তমান গতি আমাদের ব্যবসার প্রয়োজন মেটাতে পারছে না। ইন্টারনেটভিত্তিক শিল্প ইউনিট, আইসিটি ও অন্যান্য খাতগুলো ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তারানা হালিম আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, দেশের ইন্টারনেটের গতি খুব দ্রুত স্বাভাবিক হবে।এ বিষয়ে তিনি ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

 

 

 

comments

কোন কমেন্ট নেই

LEAVE A REPLY

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.