হলিউডের বিখ্যাত ছবি আর্মাগেডনে যেমনটা আছে – তেমন বাস্তবেও বেনিউ নামে একটি গ্রহাণু বা অ্যাস্টরয়েড আগামী শতাব্দীতে পৃথিবীকে আঘাত হানলেও হানতে পারে – আর নাসা এখন সেই অ্যাস্টরয়েড থেকেই শিলাখন্ড সংগ্রহ করার উদ্দেশে একটি প্রোব শুরু করতে যাচ্ছে।এই অ্যাস্টরয়েডটি প্রতি ছয় বছর অন্তর পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রম করে, ফলে পৃথিবী থেকেই এটি দেখা যায়।

২১৩৫ সালে এটি পৃথিবীর ও চাঁদের মধ্যে দিয়ে পেরোবে, আর তখন তার কক্ষপথে এমন কিছু পরিবর্তন হতে পারে যাতে ওই শতাব্দীর শেষের দিকে সেটি পৃথিবীর দিকে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অ্যারিজোনা ইউনিভার্সিটির প্ল্যানেটারি সায়েন্সের অধ্যাপক দান্তে লরেটা – যিনি নাসা-র এই প্রকল্পে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত – তিনি বলছেন সেরকম ক্ষেত্রে বেনিউ নামে অ্যাস্টরয়েডটি পৃথিবীতে বিরাট ধ্বংস ও মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে।

এমন একটি অ্যাস্টরয়েডে অভিযান চালানোর উদ্দেশ্যটা কী, তা নিয়ে কথা বলেছিলাম নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানী অমিতাভ ঘোষের সঙ্গে। অনুষ্ঠানে শুনবেন তাঁর সাক্ষাৎকার।

বেনিউ অ্যাস্টরয়েডের উদ্দেশে ওসিরিস-রেক্স নামে প্রোবটি লঞ্চ করা হবে সামনের মাসে, আর সেটি বেনিউ-তে পৌঁছবে ২০১৮ সালে। প্রোব মিশনটি সেখানে থাকবে প্রায় বছরখানেক – চালাবে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.