আমি মোঃ আরিফুল ইসলাম শাওন। জন্ম থেকেই থাকি রংপুরে। বর্তমানে হিসাব বিজ্ঞান নিয়ে রংপুর সরকারী কলেজ-এ বিবিএস দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছি। পড়াশুনার পাশাপাশি ২০০৭ থেকে ফ্রীলান্সিং এবং ২০০৮ এর মাঝামাঝি থেকে ইংরেজীতে এবং ২০০৯ এর মাঝামাঝি থেকে বাংলায় ব্লগিং করছি। পাশাপাশি রংপুরের স্থানীয় পত্রিকায় আইটি(বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) বিভাগে প্রধান হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করছি। একই সাথে ব্লগিং এবং ফ্রীলান্সিং করি কিন্তু নিজেকে শুধু একজন “ইন্ট্রেপ্রেনর বা উদ্যোক্ত” পরিচয় দিতে পছন্দ করি। কারন কোন একটি নির্দিষ্ঠ বস্তুকে লক্ষ করে সবসময় চলতে চাই না। আমার সম্পর্কে আর বিস্তারিত জানতে আমার কথা পাতাটি পড়তে পারেন।

কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের সাথে যেভাবেঃ

আমার কম্পিউটারে হাতিখড়ি খুব পিছনের গল্প নয়। আমি হাই স্কুলে উঠার পর থেকেই দেখতাম, স্কুলের বেশির ভাগ বড় ভাই-বোনরা তাদের অপশনাল সাবজেক্ট হিসাবে কম্পিউটার বেছে নিতো। সপ্তাহে দু’তিন দিন দেখতাম তারা কম্পিউটার ক্লাস করতেন। যদিও সেই সময়ে(২০০১-২০০৫) স্কুলে কম্পিউটার ছিল মাত্র একটি তাও নিন্ম মানের। সেভাবেই ক্লাস চলতো। তারাও ক্লাশ থেকে বের হয়ে অনেক কথা বলতো কম্পিউটার নিয়ে। তারা নাকি আজ কেউ গান চালানো শিখলো, কেউ বা এমএস ওয়ার্ডে নিজের নামটি লিখা শিখলো। তাদের কথাগুলো শুনতাম আর আমারো তাদের মত করতে ইচ্ছা হত। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও উপায় ছিল না তখন। তারপর আমি যখন ক্লাশ নাইনে উঠলাম কেন জানি না, কম্পিউটার সাবজেক্টটি নেয়া হল না আমার। কিন্তু, আমি যখন এসএসসি পরীক্ষা দেই সেই সময় বাবা-মার কাছে জেদ ধরলাম আমাকে কম্পিউটার কিনে দেয়ার ব্যাপারে। তারাও রাজি হল, পরীক্ষা শেষ করে ভতি হলাম একটি কম্পিউটার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে(যদিও রংপুরে কম্পিউটার শেখার ভাল মানের প্রতিষ্টান এখনও নাই)।

কম্পিউটার ক্লাশ চলতে থাকে ঠিক তার ১ মাসের মাথায় আমার কাঙ্খিত বস্তুটি পেয়ে যাই হাতে কাছে। মনে আছে, তারিখটা ছিল ০১/০৬/২০০৬। তখন মনে হচ্ছিল যেন আকাশের চাদঁ হাতে পেয়েছিলাম। প্রায় সারাদিন না খেয়ে দেয়ে ওটা নিয়েই পড়ে থাকতাম। কিছুদিন পর অফিস এপ্লিকেশন এর ক্লাশ শেষ হয়। ক্লাশ শেষে ১৫০ মার্কের পরীক্ষা হয় এবং তাতে আমি তৃতীয় হই। প্রথম ও দ্বিতীয় জনের মার্ক ছিল যথাক্রমে ১৩৮ ও ১৩৭ আর আমার ছিল ১৩৬। এর পর লাগাতার আমি আরো দুটো প্রাতিষ্ঠানিক কোর্স(ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এন্ড সফটওয়্যার এবং এডভান্স গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া।) করি ওখানে থেকেই এবং তা ২০০৭ সাল পর্যন্ত এক নাগারে। গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার সময় শুরু করি বর্তমান বিটিসিএল এর নো ইউজ নো পে ইন্টারনেট এর ব্যবহার। বলা চলে এভাবেই নেটের সাথে আমার সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং আমার কম্পিউটারের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বলতে এতুটুকুই।

যেভাবে ব্লগার শাওনঃ

একটু পিছনে ফিরে যাই… ২০০৯ সালের প্রথমের দিকের ঘটনা। যখন কেবলি মাত্র টিএনটি’র নো ইউজ নো পে ইন্টারনেট লাইনকে বিদায় জানিয়ে জিপিতে শিফট হই। তখন নেটে সামান্য কিছু ডাউনরোড আর ব্রাউসিং+ফেসবুকিং ছাড়া আর কি কাজ করবো তাও জনতোম না, মানে আমার কাজ কি হতে পারে এমন কোন আইডিয়াও ছিলনা। তাই টুকটাক গুগলে এইসেই সার্চ করা আর মেইল একাউন্ট চেক+ফেসবুকিং করা করা ছাড়া আর কোন কাজই করতাম না। ব্যাপারটি এমন নয় যে তখন আমি কম্পিউটারে কাজ করতাম না। নেট এর সাথে সম্প্রিক্ত হবার আগে দীর্ঘদিন এমএস ওয়ার্ডে টাইপিং ছিল আমার নিত্ত্বদিনের কাজ।

নেটে সার্চ দিতাম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে, হঠাৎ-ই একদিন একটা বাংলা ব্লগস্পট সাইটের ঠিকানা http://banglatunes.blogspot.com/ চোখের সামনে পড়লো। সাইটি বর্তমানে নাই। যতদূর মনে পড়ে আমাদের শাকিল আরেফিন ভাই সহ আরো কয়েকজন সাইটটিতে নিয়মিত লিখতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। প্রতিদিন সাইটটিতে ভিসিট করতাম এবং এক সময় সাইটটির ভক্ত হয়ে গেলাম। আমার ভক্ত হবার কিছুদির পরেই দেখলাম সাইটটি ডিলিটেড! সম্ভবত টেকটিউন্সে সময় দেয়ার কারনেই সাইটটি মুছে ফেলা হয়েছে। যতদূর মনে পড়ে(আমার মনে পড়াটা ভুলও হতে পারে) শাকিল আরেফিন ভাই, সাইফুল্লাহ সাম্ম্য ভাই, হাসিব ভাই সহ আরো কয়েকজন তাদের নাম মনে নাই, সেই ব্লগে লিখতেন। ব্লগ পড়ার নেশাটি এখানে থেকেই শুরু। যেহেতু কোন কাজই ছিল না। তাই যতটা সময় নেটে থাকতাম পড়ে থাকতাম এই ব্লগে। কিন্তু কালের বিবর্তনের কারনে ব্লগটি ডিলিট করে দেয়ার কারনে একটু দিশেহারা হয়ে পড়ে ছিলাম।

এরপর সম্ভবত কয়েকদিন নেটেই বসি না। তারপর আবারো নেটে ব্রাউজিং শুরু করলাম, ঠিক মনে নাই কিভাবে যেন খোঁজ পেলাম টেকটিউন্সের। প্রথমত এত্তো এত্তো লিখা দেখে ভয়ই পেয়েছিলাম। কিন্তু আস্তে আস্তে আগের মত অভ্যাস হয়ে পড়লো ব্লগ পড়ার। আবারো নতুন করে টেকটিউন্সের সাথে বন্ধুত্ত্ব হয়ে গেল অল্প দিনের মধ্যেই।

প্রিয় পাঠক, আমি কোন সাজানো গল্প বলছি না। তাই, প্রায় আড়াই বছর আগে অনেক কিছুই আমার মনে নেই।

টেকটিউন্সকে পেয়ে আমার সারাটা সময় কাটতো ব্লগ পড়ে। আসলে আমি আজ আমার এই পোস্টির টাইটেলে “ব্লগার” প্রিফিক্সটা ব্যবহার করেছি, তার পুরো অবদান “টেকটিউন্স”! 🙂 আমার জানা মতে ২০০৮-২০০৯ এর দিকে বাংলাদেশে হাতে গুনা কয়েকটি কমিউনিটি ব্লগ ছিল। আর ব্যক্তিগত ব্লগতো দূরের কথা। আমার সময় কাটলে লাগলো টিটি’র সাথে। প্রায় তিন-চার মাস পার হল কিন্তু তখনও টিটি-তে সাইনআপ করা হয় নাই। 😉 কারন তখনও জানতাম না টিটি-তে কোথায় গেলে সাইনআপ করতে পারবো। আর আমার এমন কেউ জানাশুনাও ছিল না যে তাকে বলে বুঝায় নিবো। ২০০৯ এর প্রায় শেষের দিকে ইয়াহু! ম্যাসেন্জার ব্যবহার শুরু করলাম। কেন শুরু করলাম তাও ভুলে গেছি।

খুঁজতে খুঁজতে আমি টেকটিউনার এই লিঙ্ক থেকে টিটিতেসাইনআপ করলাম এবং টিটিতে নিয়মিত টিউন পড়তে থাকলাম। কিছুদিন পড় আমার মনে হঠাৎ মনে হল অনেকতো টিউন পড়লাম এবার আমিও কিছু লিখবো। কিন্তু কি লিখবো? নেটের ভুবনেতো আমি তখনো নতুন। সম্ভবত তখন একটি কাজ আমি প্রায় মুখস্থ জানতাম, “উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ” !! হয়তো এখন পর্যন্ত হাজার খানিক বারেরও বেশি সেটআপ দিয়েছি নিজের ও অন্যদের পিসিতে সব মিলিয়ে। 🙂

তাই মনস্থির করলাম কিভাবে এইটাই টিউন হিসাবে দেয়া যায়। কিন্তু, লিখতে পাড়লেও ইমেজওতো দরকার। সেগুলোই বা পাবো কোথায়? বিপাকে পড়লাম আবারো। নেট ঘাতটে ঘাটতে হঠাৎ মাইক্রোসফট এর ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখি যা খুঁজতেছিলাম সব-ই সামনে তৈরী। 😉

যাক এবার ছবি সংগ্রহ করার পর চললাম উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দিতে। কারন ম্যানুয়ালী এখনও অনেক কাজ করার অভ্যাস আছে আমার। অনেক তৃপ্তি আসে সেই কাজের। সেটআপ দিচ্ছ আর স্টেপ বাই স্টেপ লিখছে কখন কোথায় কি করতে হবে। সটেআপ শেষ পিসিতে সব কিছু ঠিকঠাক করে নিয়ে এবার বসলাম ব্লগার শাওনের প্রথম টেকটিউন্স টি লিখতে! লিখা শেষ, এবার পাবলিশ করতে যাবো টিটি-তে কিন্তু নাহ! পরলাম না। 🙁 কারন আমি জানতামই না কিভাবে টিটি-তে টিউন করতে হয়। অনেক কষ্ঠ করে লিখে বিপাকে আবারো.. খুঁজতে লাগলাম কে এমনটা আছে যে কিনা আমাকে টিউন কিভাবে করতে হয় তা শিখাবে। অনেক খুঁজাখুঁজির পর পেলাম যাকে পেলাম, তেনার নাম “এমদাদ খান” একসময় টিটি-তে জনপ্রিয় ব্লগার ছিলেন। প্রায় প্রতিদিন উনিও টিউন করতেন। আপনার অনেকেই হয়তো ওনাকে চিনবেন আবার চিনবেনও না। তাই, টিটি-তে টিউনটি সার্থক ভাবে করতে উনিই আমাকে a b c d করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন ইয়াহু ম্যাসেন্জারে। ৩০ নভেম্বর ২০০৯, টিটি-তে আমার প্রথম টিউনটি “উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন”। টিউনটিতে আমি অনেকগুলো বিষয় শিখেছি নতুন হিসাবে। অনেকেই সমালোচনা করেছেন, অনেক ভাল/মন্দ/মিশ্র অনুভূতি ছিল। এভাবে করে আস্তে আস্তে আরো কিছু টিউন করি। প্রায় ২০১০ এর ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫টি টিউন্স করেছিলাম। যার মধ্যে বেশির ভাগই এলোমেলো টিউন। তারপর হঠাৎ-ই কেন যেন টিটি থেকে টিউন করার মন উঠে গেল। কিন্তু নিয়মিত ভিজিট এবং মন্তব্য করতাম।

ধীরে ধীরে বাংলা ব্লগিংটাকে ভুলে যেতে বসেছিলাম। ২০১১-তে ০৩ কি ০৪-ই মার্চ, এআর রলিন এবং ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব ভাইদের তৈরী করা সোস্যাল মিডিয়া সাইট হাউকাউ.কমলাকি এফএম(আমার দুস্ত) 😉 এর কথায় সাইনআপ করলাম। ফেসবুক এর সাথে সাথে ওখানেও বেশ মজাই হত। সাইটটি ছিল অনেকটা টুইটারের মত। সময় থাকলে আপনিও জয়েন করতে পারেন এখনই। শুধু হাউকাউ হাউকাউ!!! হেহ হেহ 😛

সাইটটিতে প্রায় এক সপ্তাহ কাটানোর পর, ইমতিয়াজ ভাই আমাকে পিএম দিলেন, আমাকে বিপি(বিজ্ঞানপ্রযুক্তি ব্লগের সর্ট নাম)-তে লেখক হিসাবে পেতে ব্লগ প্যানেল আগ্রহী। ম্যাসেজ পেয়ে কিছুটা ইতস্ত বোধ করলাম। কারন, তখনও ইমতিয়াজ ভাইয়ের সাথে আমার তেমন একটা পরিচয় নেই। উনাকে কি পাল্টা জবাব দিবো বুঝে উঠতে পারতেছিলাম না। আর আমি জনতামও না যে, উনিই বিপি’র এডমিন(সাথে মাহবুব টিউটো এবং এআর রলিন ভাই-ও)। পরে লাকি এফএম এর মাধ্যমে জানতে পারলাম এবং ও আমাকে ইন্সাপায়ার করলো লিখতে! 🙂 থাংকু দুস্ত, এ্যাজ এ ট্রু ফেন্ড ইউ চেন্জড মাই পজিশন। 😀 !! দ্যান, আমি ইমতিয়াজ ভাইকে আমার কনফার্মেশন জানালাম।

প্রায় তিন-চার মাস পর বাংলায় কোন কিছু লিখবো এমন কোন বিষয় পাচ্ছিলাম না। তাই পিসিতে অনেকগুলো ইংরেজী ব্লগের লিখা সেভ করে রাখা ছিল ওগুলোই খুঁজতে থাকলাম, সেখানে থেকে কোন কিছু লিখা যায় কিনা। পেয়ে গেলাম মান সম্মত একটি পোষ্ট, এক ঘন্টার মধ্যে বাংলায় ট্রান্সিলেট করে বিপিতে সাবমিট করলাম। বিপি’র পোষ্টটিং প্যানেলে আমার প্রথম পোষ্ট-“আপনার ব্লগ কি ধীর গতিতে লোড হচ্ছে? কেন দেখুন তো ”। 🙂

হুম !! এইতো সেদিনের কথা, বিপি-তে! গত ১৬ ডিসেম্বর বিপিতে ৫০তম পোস্টি পাবলিশ করে কোন বাংলা ব্লগে প্রথম হাফ সেঞ্চুরী করেছি। অনুভূতিটা অন্যরকম। হেহ হেহ !! 😀 হয়তো কখনও কম বা কখনও এভারেজভাবে বিপি-তে নন স্পট লিখে চলেছিলাম। আসলে লিখালিখি যে কতটা মজার তা একমাত্র যারা লিখেন তারাই এর মর্ম বুঝেন।

বিপিতে ৪৯ এবং ৫০তম পোস্টি শুধু মাত্র বিপিতেই দিতাম। কিন্তু তা হয়ে উঠে নাই। আসলে কেন জানি কিছুদিন থেকে একটা অভাব বোধ করছিলাম। যে ব্লগ থেকে আমি আজকের ব্লগার(আংশিক)! সেখানেই আমার উপস্থিতি নাই। অনেকককককটা অপরাধী মনে হচ্ছিল নিজেকে! কিন্তু, আমার একটি ফালতু অভ্যাস আছে, কারও বা কোন জিনিসের উপর একবার রাগ হলে সেটার দিকে আর দৃষ্ঠিপাত করি না। জানি না কেন, তবে এটা আমার অভ্যাস। তবে, সাধারনত সহজেই কোন জিনিসের উপর রাগও হইনা। যাক সেদিকে না যাই। টেকটিউন্সে ফিরতে ভিতরে ভিতরে মরিয়া ছিলাম সত্যিই। কিন্তু ঠিক কিভাবে তা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তবে আমার সেই বুঝে না উঠাটিকে অনেক সহজ করে দিলেন জামিল হোসেন সেজান ভাই। মানুষটির সাথে অনেক দিন ভুল বুঝাবুঝিতে ছিলাম। তার কথা মত টিটি-তে আবারো প্রবেশ করলাম নিজের অজান্তেই প্রায় ১৬ মাস পরে এই শিরোনামে “আসুন বিজয় দিবসকে গুগল “ডুডল”-এ তুলে ধরতে অবদান রাখি!” সাথে সাথে বিপিতেও এবং মজার বিষয় হচ্ছে টেকটুইটস ব্লগেও এই পোস্টি দিয়ে অভিষেক হলো আমার বাংলা ব্লগিং এর আরো একটি অধ্যায়।

সব কিছুই অনেকটা অদ্ভূদ ভাবে গেলো গত কয়েকদিন! টিটি-তে প্রত্যাবর্তণ, টেকটুইটস এ শুরু করা, বিপিতে ৫০তম পোষ্ট! হয়তো অনেকের কাছেই এসব কিছুই না। বাট, আমি কিছুটা পাগলাটে টাইপের তো, অন্তত প্রযুক্তি পাগল বলতে পারেন। তাই আমার কাছে এসব অনেক কিছুই। কারন আমার আশে পাশের এমন কেউ নেই যে আমি তাদের সাথে এসব শেয়ার করবো। তাই নিজের পাগলামিগুলো আমার এই ব্লগ বাড়িতেই করি নিতান্তই আনমনে। কেউ পড়লে পড়লো না পড়লে নাই। কারন আমি “আমার যত না বলা কথা, যে কথা মুখে বলতে পারি না” গুলো শেয়ার করে যাবো।

আসলে প্রযুক্তি নিয়ে মূলত ব্লগিংটা শুরু করেছি, কিন্তু এই ব্লগিং বা এই লিখালিখির ক্ষুধাটা বিশেষ করে নিজের এই ছোট্ট ব্লগটি শুরু করার পর এখন এভাবে পেয়ে বসবে তা ভাবেও পারি নাই কখনও। তাই যতোদূর পারি লিখে চলবো অন্তিম মূহুর্ত পর্যন্ত, কারন এই লেখার মাঝে আমি আমার অস্থিত্বকে খুঁজে পাই, খুঁজে পাই নিজের কথা গুলো অন্যের কাজে সহজেই শেয়ার করতে, খূজেঁ পাই নিজের ভাল লাগা, ভালবাসার গল্পগুলোকে অনেল্য কাজে তুলে ধরার পথ। .. তাই এই ক্ষুদ্র প্রয়াশ!

এতো পাওয়ার পরেও আর কি? তবে, একটি কথা ব্লগার বা ফ্রীলান্সার শাওন নিজেকে খুঁজে শুধু একজন উদ্যোক্তা হিসাবে। কারন, একজন উদ্যোক্তাই হতে পারে একজন ব্লগার, একজন ফ্রীলান্সার, একজন গায়ক, একজন কবি। কি ভুল বললাম নাকি? 🙂

এইতো এভাবেই আমার ব্লগিং জগতের প্রত্যাবর্তন! অনেক সাদামাটা একটি ক্যারিয়ার!

সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। 🙂

comments

30 কমেন্টস

  1. শাওন ভাই সম্পর্কে জেনে ভালোই লাগলো। ধন্যবাদ শাওন ভাই। সামনের দিন গুলো আরো সুন্দর ভাবে কাটবে আশা করি।

  2. ওহ্‌ একজন উদ্যোক্তা সম্পর্কে আজ জানতে পারলাম। এইটা একধরনের ইন্টারভিউ হয়ে গেলো। ধন্যবাদ শাওন ভাই। আপনার ইতিহাস আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্যে। অনেক ভালো লাগলো। আপনি আরো বড় হোন এগিয়ে যান। 😀

  3. আরে মিতা যে!
    হুম! আমিও টিটি’র সাথে ছিলাম; প্রথমদিকে অনেক উৎসাহ নিয়ে টিউন করতাম; এখন অনেকটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। তবুও টেকস্পেটে লেখার চেষ্টা করছি; আর টিটি, বিপ্র-তে নিয়মিত আসিই, কমেন্ট করি। 😐

    আপনার জন্য শুভ কামনা রইল। 🙂

  4. আপনার ব্লগার হয়ে ওঠার লেখাটা আমাকে উৎসাহিত করেছে দারুন ভাবে! দয়াকরে যদি বলেন কিভাবে আমি একটা ব্লগ খুলতে পারি এবং আপনার কাছে কারিগরি সাহায্য চাচ্ছি।

  5. মি. শাওন, আপনার লেখা পড়ে ভীষন ভাল লাগল।ধন্যবাদ নিজেকে শেয়ার করার জন্য।

  6. ভাইয়া ফেসবুকের profile company তে আমার পেজর নাম কিভাবে লিখব? একটু বলবেন plz

  7. Shaon vai please ekta poramorsho din,ami kon phone ta nibo (nokia c5/galaxy y ) ami kintu mobile raf use kori.janale khushi hobo.

  8. আপনাকে ধন্যবাদ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উন্নতির জন্য।

  9. ভাই আপনার ইংরেজি ব্লগ কোন সাইটে লেখেন?

  10. ভাই আপনি ইংরেজি ব্লগ কোন সাইটে লেখেন?

  11. “কারন, একজন উদ্যোক্তাই হতে পারে একজন ব্লগার, একজন ফ্রীলান্সার, একজন গায়ক, একজন কবি।” — আমিও একমত, ভাইয়া।

  12. গতকাল সর্ব প্রথম এই সাইটে ‌‍”আরিফুল ইসলাম (শাওন)” আপনার একটি লেখা পড়লাম “ইন্টারনেটে আয়ের আগে ৭টি শর্ত” দারুন লাগলো। আর এই পোষ্ট এ আপনার সম্পর্কে জানতে পেরে আরো ভাল লাগলো। মূলত আপনার কারনেই এই সাইট এ রেজিষ্ট্রেশন করা। ভালো থাকবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.