“আমার মনে হচ্ছে যে, আমরা এতদিন পরে সঠিক কোন ইঙ্গিত পেয়েছে যেটা ধরে আগামিতে আমরা এলিয়েনের সান্নিধ্য পেতে পারি”

কথাগুলো ঠিক এতোটা আত্মবিশ্বাসের সাথেই বর্ণনা করছিলো নাসার এক প্রবীণ বিজ্ঞানি। আমরা বিগত বহু বছর যাবত এই ধরনের কথা শুনে আসছি। ঠিক এই বিষয় টির উপর ভিত্তি করে বহু সিনেমা ও গল্প,কাহিনী রচিত হতে দেখেছি। তবে আজ পর্যন্ত ঢের কোন প্রমান দেখিনি। তবুন বিজ্ঞানি কোনরকম হাল ছাড়তে রাজি না। তারা প্রমান করেই ছারবে এমন কিছুর অস্তিত্ব আছে (আশা করি)। ইউটিউবে সার্চ করলে দেখবেন এই ধরনের প্রচুর ভিডিও পাওয়া যাবে যেখানে প্রমান করার চেষ্টা করা হয়েছে ভিনদেশের প্রানির অস্তিত্ব। কিন্তু সেগুলা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? আপনাদের সাথে আমি একটি ভিডিও শেয়ার করছি, ভিডিওটি একটু দেখুন-

গত বছরে নাসার বিজ্ঞানিরা সৌরজগতে এমন একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছে যেখানে তারা নিশ্চিত যে এলিয়েন থাকে। তারা নাকি পায়ের কিছু ছাপ সহ বিভিন্ন প্রমান হাতে পেয়েছে যেগুলো পর্যালোচনা করলে এটিই প্রমান করে। আর এই তথ্য প্রমানের উপর ভিত্তি করে নাসা আগামি ২০২০ সালে একটি মহাকাশ যান পাঠাবে নতুন সেই গ্রহর অস্তিত্ব বের করার জন্য। এবং পরবর্তী ৫ বছরের মদ্ধে তারা তারা আবিষ্কার করে দেখাবে যে সত্যি এলিয়েন বা  ভিনদেশের প্রানি বলে কিছু আছে।

ব্যক্তিগত মতামত-

আমার কাছে এগুলো টাকা ও সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছু মনে হয় না। আমার জানা মতে মহান আল্লাহ্‌ এই ধরনের কোন কথা বা প্রমান কুরআন বা হাদিসে বর্ণনা করেনি। এবং আমি নিজেও ব্যক্তিগত ভাবে এগুলো বিশ্বাস করিনা। তবে হ্যাঁ জীন জাতি বলে অবশ্যই কিছু আছে সেটা আমরা কমবেশি সকলেই জানি। বিজ্ঞানিরা হয়তো তাদের কিছু অস্বাভাবিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ধরনের গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে যা শুধু সময়েরই নষ্ট ছাড়া আর কিছু না।

আপনারা আমার সাথে একমত নাও হতে পারেন। তবে আপনার ভিন্নমত অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আমরাও জানতে চাই আপনি কি ভাবছেন। তবে অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত কথা হতে হবে।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.