আজ আমাদের প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান অনেক উন্নত হয়েছে। তাই আমরা এখন কাল্পনিক বা অনুমান নির্ভর কথায় কান না দিয়ে হাতে কলমে প্রমান চাই। আর এই জন্নই বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেশনা চালাচ্ছেন। তারা অনেক উন্নতমানের টেলিস্কোপ ও অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেছেন। এক্ষেত্রে প্রথমে আমাদের পার্শ্ববর্তী গ্রহ থেকেই বিজ্ঞানীরা তাদের কাজ শুরু করেছেন। আমাদের নিকটতম এবং সবচেয়ে সম্ভাবনাময় গ্রহ হল মঙ্গল। সেখানে প্রানের সন্ধানের জন্য বিস্তর গবেশনা চলছে।

এখন সেখানে যে রোবটটি কাজ করছে তার নাম হল ‘কিউরিয়াসিটি রোভার’। এটি মঙ্গলগ্রহ সম্বন্ধে অনেক তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং এখনো করে চলেছে। মঙ্গলগ্রহে সমুদ্র থাকার অস্তিত্ব রয়েছে। এমনকি সেখানে পানিও থাকতে পারে। আর যদি পানি থাকে তবে তার ফল  কি হবে তা জানার জন্য আমাদের আর অপেক্ষা করতে হবে। এখন আর একটু দূরে যাওয়া যাক। পানির সন্ধান পাওয়া গ্রহ এবং উপগ্রহের মদ্ধে ইউরপা আমাদের সবচেয়ে নিকটতম। ইউরপা বৃহস্পতির উপগ্রহ। এটা সম্পূর্ণ পানির তৈরি। এর তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে এবং এর উপরি পৃষ্ঠ কঠিন বরফে আবৃত। ইউরপার অভ্যন্তরে রয়েছে তরল পানি। সেখানেও প্রান থাকা তেমন আশ্চর্যের কিছু না।

বিজ্ঞানিরা আমাদের এই সৌর জগতে প্রানের সন্ধান করার জন্য ভয়েজার১,২ নামে দুইটা অভিযান পাঠায়। তারা তাদের অভিযান সফলভাবে শেষ করেছে। তারপর আমাদের নিজস্ব ছায়াপথে গবেষণা করেছে। এখন বিজ্ঞানীদের টার্গেট হল আমাদের পাশের এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি। সেখানেও প্রান থাকতে পারে। তাছারা আমাদের মহাবিশ্বে এমন আর কোটি কোটি নক্ষত্র রয়েছে যেখানে প্রান থাকা অস্বাভাবিক হবে না। আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্বে গ্রহের সংখ্যা পৃথিবীতে যে পরিমাণ বালুর কনা আছে তার থেকেও বেশি। আর এই সংখ্যাটি হল ৭এর পিঠে ২২টি শুন্য বসালে যত হয় তত।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.